1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পারস্য উপসাগর থেকে ভেসে আসবে আমেরিকান শক্তির হাড় গুঁড়ো হওয়ার শব্দ: ইরানের জেনারেল ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রতিবন্ধী নবজাতককে নিতে অস্বীকৃতি পিতার, বুকে জড়িয়ে ঘরে ফিরছেন মা দেবীগঞ্জে ইউএনওর ওপর হামলা, জড়িতদের খুঁজতে পুলিশের তৎপরতা মাদারীপুরে,মাছ-মাংস ও সবজির বাজার উর্ধমূখী,ক্রেতাদের নাভিশ্বাস গভীর রাতে আগুনে ছাই ৫ দোকান—নিঃস্ব সিরাজগঞ্জের ব্যবসায়ীরা! সলঙ্গায় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এক যুবকের অনুপ্রেরণার গল্প মারা গেছেন সাবেক উপমন্ত্রী ​কাঁঠালিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ আহত, চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ

বিলুপ্তির পথে জাতীয় ফুল শাপলা

মোঃ ইউনুস আলী
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা,একথা আমরা সবাই জানি।কিন্তু বর্তমান সময়ের শিশু কিশোররা শাপলা ফুল সম্পর্কে তেমন কিছুই জানেনা।কারণ আমাদের জাতীয় ফুল শাপলা হলেও এর সংরক্ষণ ও উৎপাদনের ব্যাপারে ব্যক্তিগত ও জাতীয় পর্যায়ে কোন উদ্যোগ না নেয়ায় আজ বাঙালির চিরচেনা জাতীয় ঐতিহ্য শাপলা ফুল প্রায় বিলুপ্তির পথে।বহুদিন আগে বাংলাদেশের গ্রামগন্জের খাল-বিলে এমনকি রাজধানীর আশেপাশে ছোট ছোট বিলে ফুটে থাকতে দেখা যেত এই জাতীয় ফুল শাপলা। কালের বিবর্তনে এবং সংরক্ষণের অভাবে আজ আমাদের এই ঐতিহ্য বাহি জাতীয় ফুল শাপলা প্রায় বিলুপ্তির পথে।আজ থেকে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ বছর আগে অর্থাৎ ৮০বা ৯০এর দশকে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা খুবই জনপ্রিয় ফুল হিসেবে সবাই এটাকে গ্রহণ করত,কিন্তু আমাদের বর্তমান প্রজন্ম এই ফুলের ব্যাপারে কিছুই জানেনা। কারণ হিসাবে বলা যায়,গত ২০ বছর যাবত বাংলাদেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা সহ বিশ্ব বিদ্যালয়গুলোতে যে বই পড়ানো হত তাতে জাতীয় ফুল, ফল,ও জাতীয় প্রানী সম্পর্কে কোন অধ্যায় সংযোজন ছিল না।ফলে তরুণ প্রজন্ম এ সম্পর্কে অজানায় থেকে গেছে।বাঙালির জাতীয় জীবনের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বিলিন করে পশ্চিমা শিক্ষা সংস্কৃতিকে জোর করে চাপিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্হাকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেয়া হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের কবি সাহিত্যিক ও লেখকদের লেখা ছড়া,গান,কবিতা, গল্প হামদ,নাত সহ বহু শিক্ষানীয় সাময়িকী সিলেবাস থেকে বাদ দিয়ে পাঠ্য বইয়ে সংযোগ করা হয়েছিল বিভিন্ন অপসংস্কৃতি। এমনকি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হত কুকুরের ডাক,বিড়ালের ডাক,গরুর ডাক সহ বিভিন্ন প্রাণী ডাক ও অশ্লীল নিত্য।যাহা অত্যান্ত লজ্জা জনক। তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাঠ্যবইয়ে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ এর সিলেবাস অন্তর্ভুক্তের ফলে শিক্ষা ব্যবস্হায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে সরকারি ভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করে আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য যেমন,দোয়েল পাখি,শাপলা ফুল, কাঠাল,ও জাতীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার। এসব জাতীয় ঐতিহ্য গুলোকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচিয়ে রাখতে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com