1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা গোপালগঞ্জে কাশিয়ানীতে স্নানোৎসব ও তিন দিনব্যাপী মহাবারুনী মেলা রংপুরের উন্নয়নে সকলের সহযোগিতা চাইলেন নবনিযুক্ত সিটি প্রশাসক মাহফুজ উন নবী ডন কক্সবাজার আইন কলেজে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন বাগেরহাটের মোল্লাহাটে দুর্বৃত্তের গুলিতে ব্যবসায়ী নিহত ভোক্তা অধিকার দিবস আজ ঈদে নৌ-যাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোংলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল নাটোরের সিংড়ায় পথচারী ও শ্রমজীবীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ‎খতিব ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানে কুমারখালীতে বিশেষ ঈদ উপহার বিতরণ পিরোজপুরে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা প্রতিরোধে প্রেস ব্রিফিং

শীতে চরাঞ্চলের জনজীবন বিপর্যস্ত

মোঃআহসান হাবীব
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৬০ বার পড়া হয়েছে
তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াযান নদী বেষ্টিত লালমনিরহাটে টানা ২১দিনের ঠাণ্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে জনজীবন। ঘন কুয়াশার সঙ্গে হিমেল হাওয়ায় শীতের প্রভাব পড়ছে এ জেলার নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের জীবনে। বিশেষ করে চরাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষররা কষ্ট পোহাতে হচ্ছে তুলনামূলক বেশি।

শনিবার সকালে লালমনিরহাটে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কনকনে এই ঠাণ্ডায় জবুথবু লালমনিরহাটের জনজীবন। জেলার বিভিন্ন স্থান ও চরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে ঘন কুয়াশায় ঢেকে রয়েছে রাস্তাঘাট। আর হিমেল হাওয়া থাকায় কনকনে ঠাণ্ডায় প্রয়োজন ব্যতিত ঘর ছাড়েন অধিকাংশরা। তবে জীবিকার তাগিদে শ্রমজীবীরা শীত উপেক্ষা করে কাজের সন্ধানে বের হয়েছেন। শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষ শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে বাড়ির আঙিনা ও ফুটপাতসহ চায়ের দোকানের চুলায় বসে আগুন পোহাচ্ছেন।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চর শৈলমারীর বাসিন্দা বাবলু মিয়ার(৪২) সাথে টান্ডার প্রকোপ নিয়ে কথা হলে তিনি বলেন, বর্তমানে চরাঞ্চলের শ্রমজীবীদের বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কষ্ট। কুয়াশা আর বাতাস চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ভোগান্তি কয়েকগুন বাড়িয়ে দেয়। চরের নিম্ন আয়ের মানুষের দুএকজন কম্বল পেলেও অধিকাংশরাই কম্বল পাননি।

একই উপজেলার কাকিনার ইসরকুলের বাসিন্দা সাজু মিয়া(৩৫) বলেন, হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যেই শ্রমজীবীরা মাঠে কাজ করছে। অনেকেই শীত নিবারনের জন্য সাময়িক ভাবে খড়কুটো জালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে। কিছুক্ষণ পরেই আবার কাজ শুরু করছে তারা।

জেলার সদর উপজেলার হরিণ চওড়া চরের বাসিন্দা চরের জমিতে কাজ করতে থাকা আব্দুল আউয়াল(৫৫) বলেন, এখনো কম্বল পাইনি। কাজ করার সময় হাত কাজ ঠিক মতো করছে না। আর রাতে অধিক বাতাসে চরের বাড়ি ঘরে হুহু করে বাতাস ঢোকে। এতে ঘুমটাও শান্তি হয়না।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলসহ পাচ উপজেলায় এরই মধ্যে ৬০ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরো ৫০ হাজার কম্বলের চাহিদা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হয়েছে।

তবে ঠান্ডায় কাহিল মানুষদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত কম্বল যথেষ্ট নয় বলে মনে করেন জেলার সচেতন মহল। চরাঞ্চলসহ জেলার পাঁচ উপজেলার শীতার্ত অসহায়দের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান তাদের।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com