1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি। বাগাতিপাড়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে কৃষকের ওপরে সশস্ত্র হামলা পিরোজপুরে অসহায় পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ ‘স্টপ দ্য স্টিগমা ২.০’ কর্মসূচি: দৌলতখানে মাসিক স্বাস্থ্য ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সাথে সাজেদা ফাউন্ডেশনের অ্যাডভোকেসি কর্মশালা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতায় মরতে বসেছে বলেশ্বর নদী, পানির সংকটে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট বন্ধের আশঙ্কা বাঁশখালী শীলকূপ ইউনিয়নে জামায়াতের নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত! লাইলাতুল কদর,মানব জাতির জন্য এক মহামূল্যবান রাত কুষ্টিয়ায় শব্দ দূষণের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, জরিমানা ৯ হাজার হাতীবান্ধা বিএনপি নেতা ও তাদের স্ত্রীর সাথে সমন্বয় করে ত্রাণ বিতরণের নির্দেশনা ইউএনও’র ! ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত ১৫ পরিবারের মাঝে ইফতার ও সেহরি বিতরণ

ন্যাশনাল রিপোর্টারস ইউনিটি ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটি পূনঃগঠন

এম এ সাকিব খন্দকার
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
সভাপতি– সাদেকুল ইসলাম সম্পাদক রাজিবুল করিম রোমিও।সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও নির্যাতন প্রতিরোধ কল্পে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ ও দেশের  মানুষের কল্যাণে তথ্য ভিত্তিক সেবাদানের ব্রত নিয়ে প্রতিষ্ঠিত।
ন্যাশনাল রিপোর্টারস ইউনিটি ফোরাম।
দেশ সহ দেশের বাইরেও  বাংলা ভাষাভাষিদের নিয়ে সংগঠনটি নিরলসভাবে সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও কল্যাণে  কাজ করে যাচ্ছে । সাংগঠনিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও তৃনমূল সাংবাদিকদের দক্ষ ও প্রশিক্ষিত করে তুলতে সাংগঠনিক কার্যক্রম গতিশীলতার ধারাবাহিকতায় ২০২৪- ২০২৬ অর্থ বছর পূর্ণঃমেয়াদে কবি, সাহিত্যিক সাংবাদিক এ এস এম সাদেকুল ইসলাম কে পূণরায় সভাপতি ও রাজিবুল করিম রোমিও কে সাধারণ সম্পাদক করে ৯৩ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে বিভিন্ন পদে দায়িত্বশীল হিসেবে অন্যান্যরা হলেনঃ
২।সহ-সভাপতি- মোঃ রহমতুল্লাহ সোহাগ -পি’আর’বি নিউজ -কুমিল্লা
৩।সহ সভাপতি-মোঃ ইব্রাহিম খলিল, ময়মনসিংহ।
৪। সহ সভাপতি -এম আফজাল হোসেন, পাবনা।
৬।সিনিয়র সহ সম্পাদক- মোঃ ফরহাদুল ইসলাম -দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার -গাজীপুর।
৭।সহ- সম্পাদক- মোঃ আফতাবুল আলম -দৈনিক কলমযোদ্ধা -রাজশাহী।
৮।সহ-সম্পাদক-মোঃ জাহিদ ইসলাম জিহাদ
দৈনিক আমার বাংলাদেশ-রংপুর।
৯।সহ সম্পাদক-মোঃ শাহীন মিয়া -দৈনিক কলমযোদ্ধা -নীলফামারী।
১০।সহ সম্পাদক -মোঃ আল আমীন ইসলাম -দৈনিক সন্ধাবাণী-রংপুর।
১১।সহ সম্পাদক-এলিয় সরকার স্বপন-
দূর্নীতি রিপোর্ট -সাভার।
১২।সহ সম্পাদক-এম টি আই আহাদ মাহমুদ-MTI tv -গাইবান্ধা।
১৩।সহ সম্পাদক -রাকিবুল ইসলাম
দৈনিক কলমযোদ্ধা -পাবনা।
১৪।সহ সম্পাদক -মিশুক চন্দ্র ভূইয়া
দৈনিক ঢাকা -পটুয়াখালী।
১৫।সহ সম্পাদক -এইচ এম পান্না
দৈনিক নিউজ টাইম-বরিশাল।
১৬।সহ সম্পাদক -আতিকুল্লাহ চৌধুরী -দৈনিক কলমযোদ্ধা -চট্টগ্রাম
১৭।সহ সম্পাদক -মোঃ তারেক রহমান-দৈনিক দ্বীনের আলো -সিরাজগঞ্জ।
১৮।সহ সম্পাদক -মোঃ মোবারক হোসেন নাদিম -দৈনিক দ্বীনের আলো -নরসিংদী।
২০।সহ সম্পাদক -মোঃ মেসবাহ -দৈনিক অনির্বাণ -বাগেরহাট।
২১।সহ সম্পাদক -তৌকির আহাম্মেদ হাসু-দৈনিক করতোয়া-জামালপুর।
২২।সাংগঠনিক সম্পাদক- মোঃ রাজীব জোয়ার্দার – আমার সংবাদ প্রতিদিন -পাবনা।
২৩।সাংগঠনিক সম্পাদক -শহীদুল ইসলাম – Stv media-ময়মনসিংহ।
২৪।সাংগঠনিক সম্পাদক -মোঃ মনোয়ার হোসেন -রাজধানী টেলিভিশন -রাজশাহী।
২৫।সাংগঠনিক সম্পাদক -কামরুজ্জামান শাহীন.দৈনিক পি’আর’বি নিউজ -ভোলা।
২৬।সাংগঠনিক সম্পাদক -মোঃ আতিকুর রহমান-দৈনিক পি’আর’বি নিউজ -কুড়িগ্রাম।
২৭।সাংগঠনিক সম্পাদক -সাইফুল ইসলাম তুহিন
PRB news Tv -ঢাকা।
২৮।সাংগঠনিক সম্পাদক -মাসুদ রানা- দৈনিক পি’আর’বি নিউজ -চাপাইনবয়াবগঞ্জ।
২৯।সাংগঠনিক সম্পাদক -এবি সোবহান সরকার – দৈনিক পি’আর’বি নিউজ -ময়মনসিংহ।
৩০।সাংগঠনিক সম্পাদক-রাশিদুল ইসলাম জিহাদ।
দৈনিক আমার সংবাদ প্রতিদিন – মোমেনশাহী।
৩১।সাংগঠনিক সম্পাদক -রাজীব চন্দ্র দাস – চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব – চট্টগ্রাম।
৩২।সাংগঠনিক সম্পাদক -শাকির আহমেদ শুভ -দৈনিক পি’আর’বি নিউজ।
৩৩।সাংগঠনিক সম্পাদক -বাবুল হোসেন বাবলু – দৈনিক দিন প্রতিদিন।
৩৪।সাংগঠনিক সম্পাদক -মাহমুদুল হাসান শামীম- দৈনিক অর্থনীতি -ময়মনসিংহ।
৩৫।।প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক-মোঃ শরীফুল ইসলাম – আন্দোলন টিভি, বগুড়া।
৩৬।সহ- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
মোঃ সালাহউদ্দিন -দৈনিক মানবাধিকার প্রতিদিন -খাগড়াছড়ি।
৩৭।সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক-জিএম রিয়াজুল আকবর -দৈনিক পত্রদূত-খুলনা
৩৮।সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক,
মোঃ ইয়াকুব হাসান-দৈনিক
দ্বীনের আলো – গাইবান্ধা।
৩৯।সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
-শেখ বেলায়েত হোসেন -দৈনিক দ্বীনের আলো -লক্ষ্মীপুর
৪০।সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
 মোঃ সালাহউদ্দিন – সাপ্তাহিক অগ্রযাত্রা -খাগড়াছড়ি।
৪১।সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক-
মোঃ সুজন মাহমুদ -দৈনিক নবীন বার্তা -বগুড়া।
৪২।তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক- শংকর চন্দ্র ঋষি – দৈনিক কলমযোদ্ধা – সুনামগঞ্জ।
৪৩।তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক-মোঃ ফরিদ হোসেন -দৈনিক সোনালী সময়-নাটোর।
৪৪।তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক-মোঃ নাছির উদ্দীন -দৈনিক দেশ চিত্র -ফটিকছড়ি -চট্টগ্রাম
৪৫।শিক্ষা ও  সাহিত্য সম্পাদক মোঃ আজগর আলী -দৈনিক সাতক্ষীরার সকাল- সাতক্ষীরা।
৪৬।সহ শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক-চয়ন কুমার রায়- দৈনিক দ্বীনের আলো -লালমনিরহাট।
৪৭।সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জিয়াউর রহমান-ভিবিসি বাংলা ( vbc bangla) -গাজীপুর
৪৮।সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক -মোঃ ফারুক হোসাইন -দৈনিক দ্বীনের আলো -লালমনিরহাট।
৪৯।সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ নাজিম উদ্দীন -দৈনিক কলমযোদ্ধা – ভোলা।
৫০।বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক – শুভ তংআংগ্যা
The mail bd
বান্দরবান।
৫১।জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক – মোঃ ফারুক মিয়া – দৈনিক মানববন্ধন -সুনামগঞ্জ।
৫২।সমাজ কল্যাণ সম্পাদক-মোঃ নাজমুল তালুকদার
Daily English News-
বাগেরহাট।
৫৩।সমাজ কল্যাণ সম্পাদক-মোহাম্মদ কামাল হোসেন প্রধান সমাজ কর্মী- নরসিংদী।
৫৪।সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- ইয়াছিন আলী খান-
ক্রাইম তালাশ – সুনামগঞ্জ।
৫৫।সমাজ কল্যাণ সম্পাদক-  মোঃ নুর আমীন সরকার
দৈনিক স্বদেশ বার্তা- কুড়িগ্রাম
৫৬।সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মোঃ দলিল উদ্দিন- দৈনিক অগ্নিশিখা
গাজীপুর।
৫৭।মানবাধিকার সম্পাদক- এস চাঙমা সত্যজিৎ
দৈনিক প্রথম বুলেটিন-খাগড়াছড়ি।
৫৮।মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক সাহাবুল আলম- রুপসী বাংলা টিভি -নাটোর।
৫৯।মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক -মোঃ আব্দুল আজীজ-দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ -পাবনা
৬০।মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক-
মোঃ ফেরদৌস আলম- দ্বীনের আলো- গাইবান্ধা।
৬১। প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ রেজওয়ান ইসলাম- দৈনিক দ্বীনের আলো। গাইবান্ধা।
৬২।প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক
মোঃ শাহেদ আহমেদ -ইউনাইটেড জার্নালিস্ট অর্গানাইজেশন।
কার্যনির্বাহী সদস্যগণঃ
১।রাহাত খান রুবেল- সিরাজগঞ্জ।
২।।আরিফুল ইসলাম
৩। মোবারক হোসেন সহ ৯৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com