1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ০২:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চাঁদপুরে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ, তদন্তে উঠে এলো হ/ত্যা/র আলামত পাইকগাছা রিপোর্টার্স ইউনিটির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠির নলছিটিতে কিস্তির ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা চাঁদপুরে কোস্ট গার্ডের অভিযানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকার জাটকা জব্দ টেকনাফে র‍্যাবের ওপর হামলা, আহত ৯ ‎কুমারখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ নং মেদুয়ারী ইউনিয়নে সরকারি চাল বরাদ্দের অনিয়ম আসন্ন বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জামায়াতের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এডভোকেট মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন! জামালপুরে স্বামীকে গাছে বেঁধে স্ত্রীকে ধ*র্ষণ, ৩ জনের মৃ*ত্যুদণ্ড! ফরিদপুরে ৪ হাজার ই*য়া*বাসহ দুই মা-দক কার*বারি গ্রে*ফ*তার!

অন্যের এনআইডি দিয়ে টিকিট কেটে কালোবাজারি

জাহিদুল হাসান
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২১২ বার পড়া হয়েছে
 টিকেট কালোবাজারির অভিযোগে ময়মনসিংহে রেলওয়ের কর্মচারী (বুকিং সহকারী) মো. রফিকুল ইসলামকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর সংরক্ষণ করে টিকেট সংগ্রহ করে রফিকুল কালোবাজারে বিক্রি করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা রেলওয়ে বিভাগের পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন। এর আগে রবিবার রাতে রেলওয়ে পুলিশ কালোবাজারির ১২টি টিকেটসহ তাকে গ্রেপ্তার করে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেপ্তারকৃত রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে টিকেট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রবিবার রাত ১১টার দিকে রেলওয়ে স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এ সময় রফিকুল ইসলামকে ১২টি টিকেট, কালোবাজারির ৫১০০ টাকা, ২টি মোবাইল ফোন, সাধারণ যাত্রীদের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর সম্বলিত তালিকাসহ আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, রেলওয়ে কর্মচারী রফিকুল ইসলাম দায়িত্বপালনের সময় কাউন্টারে টিকিট কাটতে আসা সাধারণ যাত্রীদের মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর সংগ্রহ করে একটি তালিকা প্রস্তুত করে নিজের কাছে রেখে দিত। এরপর সময় সুযোগ বুঝে সাধারণ যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে বিভিন্ন গন্তব্যের ভিন্ন ভিন্ন ট্রেনের টিকিট কেটে নিজের কাছে রেখে দিত। এরপর বাইরে এনে তার পূর্ব পরিচিত দালাল ও কালোবাজারিদের কাছে সরবরাহ করতেন। টিকিট বিক্রির লভ্যাংশ তিনি বিকাশ ও নগদ অ্যাপসের মাধ্যমে বুঝে নিতেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানার পুলিশ সদস্য হানিফুর রহমান বাদি হয়ে সোমবার বিকেলে একটি মামলা করেছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া রেলওয়ে থানার এসআই দ্বীপক চন্দ্র পাল বলেন, রফিকুল গত দেড় বছর ধরে এখানে কর্মরত। এখানে যোগদানের পর থেকেই যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র সাদা কাগজে সংরক্ষণ করে টিকেট কালোবাজারি করতেন। তার কাছ থেকে কাগজও উদ্ধার করা হয়েছে। তার এসব অপতৎপরতার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ওসি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, রফিকুল ইসলাম এর আগেও টিকেট কালোবাজারি মামলায় জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ রয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঝিনাইদহে পানির দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ, ঋণের দায়ে ঘরছাড়া হওয়ার আতঙ্কে কৃষকমাকসুদুল হক, ঝিনাইদহ- ১১ মার্চ, মঙ্গলবার ঝিনাইদহের বেশিরভাগ কৃষক এনজিও বা মহাজনের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছেন। এখন সেই ঋণের কিস্তি শোধ করার চাপে তারা অনেকটা বাধ্য হয়েই লোকসানে ফসল বিক্রি করছেন। পবিত্র রমজান ও সামনে ঈদ। পরিবারের নতুন পোশাক কেনা তো দূরের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ঝিনাইদহের মাঠজুড়ে এখন পেঁয়াজ তোলার কর্মযজ্ঞ। জেলার শৈলকূপা ও হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠে মাঠে আগাম জাতের পেঁয়াজ উত্তোলনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। বাজারে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এর অর্ধেক ঘরে আসছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলায় এ বছর রেকর্ড প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে, যা থেকে প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদনের আশা করা হচ্ছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলাতে ২৫০০ হেক্টর জমিতে এবার পেঁয়াজের ব্যাপক ফলন হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজের বর্তমান দামে চাষীর কপালে চিন্তার ভাঁজ। প্রতি মণে উৎপাদন খরচ ১৫০০ টাকার বেশি হলেও বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সরেজমিনে বিভিন্ন মাঠ ও হাট ঘুরে দেখা যায়, চাষিরা দল বেঁধে জমি থেকে পেঁয়াজ তুলছেন। কেউ পরিষ্কার করছেন, কেউ বা বস্তাবন্দি করে হাটে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায় এক চরম সত্য—পেঁয়াজ চাষে যে পরিমাণ হাড়ভাঙা খাটুনি আর অর্থ ব্যয় হয়েছে, বর্তমান বাজার দরে তার অর্ধেকও উঠে আসছে না। সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হলেও হাটে গিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে পানির দরে। চাষিদের অভিযোগ। বর্তমানে পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুম হওয়ায় সব কৃষক একসাথে পেঁয়াজ বাজারে নিয়ে আসছেন। হাটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় দাম কমে গেছে । ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানির ফলে স্থানীয় বাজারের দেশি পেঁয়াজের কদর কমছে। পাইকাররা আমদানিকৃত পেঁয়াজের দোহাই দিয়ে দেশি পেঁয়াজের দাম কমিয়ে রাখছেন । স্থানীয় পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিমাগার নেই। ফলে পচে যাওয়ার ভয়ে এবং ঋণের কিস্তি শোধের চাপে কৃষকরা পানির দরেই পেঁয়াজ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন । প্রান্তিক চাষি ও পাইকারি বাজারের মাঝখানে থাকা আড়তদার ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একটি বড় অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হরিণাকুণ্ডুর কৃষকরা বলছেন, বীজ, সার ও শ্রমিকের যে আকাশচুম্বী দাম, সেই তুলনায় বাজারের এই দর তাদের পথে বসিয়ে দেবে। বিশেষ করে সামনে রমজান ও ঈদ থাকায় পরিবারের বাড়তি খরচ মেটাতে তারা চরম সংকটে পড়েছেন। কৃষকদের দাবি, পেঁয়াজ আমদানি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে এবং সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে পেঁয়াজ সংগ্রহের ব্যবস্থা করলে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। অন্যথায় লোকসানের ভারে ধসে পড়বে এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com