1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

অনেক ভোগান্তির পর পেলো কার্বাট

রাসেল হাওলাদার
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ১০ নং আমলিমাবাদ ইউনিয়ন এর ৪ নং ওয়ার্ড নন্দনপুর গ্রামের খান বাড়ি মেইন সড়কে বিগত ২০১৪ সালে বন্যায় ভেঙ্গে পড়ে, আস্তে আস্তে করে সেটা বড় খালে পরিণত হয়, স্থানীয় লোকজনের চলাচলের বড় বিপদ হয়ে পড়ে, এলাকার জন তখনকার চেয়ারম্যান ও মেম্বারের কাছে যান এই রাস্তা ভাঙ্গা মেরামত করার আবেদন নিয়ে কিন্তু তাতে কোনো লাব হয়নি,, তখনকার চেয়ারম্যান শেখ শহিদুল ইসলাম তাদের কথা কান দেননি এবং মেরামতের কাজ ও করেনি,, বলে জানা গেছে, স্থানীয় জনসাধারণের পক্ষে আমাদের সাথে কথা বলেন, আনোয়ার হোসেন খান, তিনি বলেন আমি নিজে ১০/১২ বার আবেদন করেছিলাম শেখ শহিদুল ইসলামের কাছে তিনি আমার আবেদনে সাড়া দেননি, আনোয়ার খান বলেন বর্ষার সময় এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা অসম্ভব হয়ে যায়, ছেলে মেয়েদের স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়,, এবং মানুষ মসজিদে নামাজ পড়তে ও যেতে পারেনা,, কারন রাস্তা ভেঙ্গে খাল হয়ে আছে এবং বর্ষার পানিতে পুরো রাস্তা তলিয়ে যায়, এই সব দেখেও চেয়ারম্যান বা মেম্বার কেউ এগিয়ে আসেনি, এর ২২/৯২০২৩ আলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে, সাবেক আলিমাবাদ ইউনিয়নের আওয়ামী সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মরহুম ইয়াসিন দুলাল বেপারীর একমাত্র ছেলে, বাংলাদেশ আওয়ামীলিগের মনোনীত প্রার্থী, মোহ ইমরান হোসেন বাপ্পি জনগনের বিপুল ভোটের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

বাপ্পি চেয়ারম্যান হওয়ার পর আমি আমার এলাকার জনগনসহ  যাই তার কাছে, আনোয়ার খান বলেন আমি বাপ্পি চেয়ারম্যানের কাছে সবাইকে নিয়ে গিয়ে এই রাস্তার কথা বলি, বাপ্পি চেয়ারম্যান আমার কথা শুনে সে নিজে গিয়ে সেই রাস্তা ভাঙ্গা দেখেন এবং আমাদেরকে আশ্বস্ত  করেন যে, আমি ৫ মাসের ভিতরে এই রাস্তায় একটি কালভার্ট করে দিবো, আনোয়ার খান ও স্থানীয় লোকজন বলেন আজ সেই কালভার্ট এর কাজ চলছে, আমরা চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাপ্পি মহাদয়ের কাছে চির কৃতজ্ঞ তিনি আমাদের দেওয়া কথা রেখেছেন,, আমরা আজ অনেক খুশি, চেয়ারম্যান নিজে জায়গায় দাড়িয়ে থেকে কাজ করাচ্ছেন।

আলিমাবাদ ইউনিয়ন ঘুরে জানলাম যে বিগত দিনে যারা চেয়ারম্যান ও মেম্বার হয়েছে, তারা কিছু করেননি, কিন্তু বাপ্পি চেয়ারম্যান হয়ে এলাকার মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে মানুষের উপকার করেন এবং বাপ্পি খুব মিষ্টি ভাষায় কথা বলেন, তার কাছে কোনো হিংসা বা আমি ভাব নেই বাপ্পি একজন বন্ধু সুলভ মানুষ, তিনি ছোট বড় সবার সাথে মিলে মিশে চলেফেরা করেন। বাপ্পির মত চেয়ারম্যান আমরা আগে কখনো পাইনি, বাপ্পি চেয়ারম্যান হয়ে ইউনিয়নে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করছেন বলে জানা গেছে। এবং আমরা নিজেরা আলিমাবাদ ইউনিয়ন ঘুরে দেখলাম তার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা ও কালভার্ট এর কাজ চলছে তাই এই ইউনিয়নে জনগন বাপ্পিকে চেয়ারম্যান পেয়ে খুব খুশি। আমরা চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাপ্পি তার সাথে কথা বলে জানলাম, তিনি বলেন আমি জনগনের ভোটে চেয়ারম্যান, আমি যত দিন আছি ইনশাআল্লাহ সবসময় আমার ইউনিয়নে জনগনের সেবা করে যাবো, এবং আমি চাই আমার ইউনিয়নটি একটি স্মার্ট ইউনিয়ন গড়তে,, আমার ইউনিয়নে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, ও সব ধরনের অপরাধ দমন করে একটি সুন্দর স্মার্ট ইউনিয়ন উপহার দিতে জনগনকে, এবং বাপ্পি তার ইউনিয়নের জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন “আপনাদের ছেলে মেয়েকে সময় মত স্কুলে পাঠাবেন এবং খেলাধুলার সাথে সংযুক্ত রাখবেন, তাহলে তারা অপরাধ থেকে বিরত থাকবে” চেয়ারম্যান বাপ্পি নিজে একজন ক্রীড়া প্রেমি মানুষ,,,, ধন্যবাদ দেশ বুলেটিন এবং আমার ইউনিয়নের সকল মানুষকে

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com