1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন

আত্রাই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে কৃষকদল নেতা আলা বহিষ্কার

মো.শিফাত মাহমুদ ফাহিম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫
  • ৬১৬ বার পড়া হয়েছে
নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলা কৃষকদলের সদস্য মোঃ আলাউদ্দিনকে সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ০৫ আগস্টের পর থেকে চাঁদাবাজি,জমিদখল বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্পের ড্রিপকল সিন্ডিকেট করে হাতিয়ে নেওয়া সহ একাধিক দুর্নীতির ও অনিয়মের অভিযোগে কৃষকদল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা যায়।
গত (১৫ জুলাই) রোজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল নওগাঁ জেলা শাখার পক্ষে থেকে সদস্য সচিব এটিএম ফিরোজ দুলুর স্বাক্ষরকৃত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই বহিষ্কারের আদেশ প্রকাশ করা হয়।উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ ও অসাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো জবাব দেননি।এরপর আত্রাই উপজেলা কৃষকদল এবং জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাকে কৃষকদলের সদস্যপদসহ সকল পদ থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়।
খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়,সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিনি নগদ অর্থ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে চাঁদা আদায় করেন বলে ও স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে।এছাড়া রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে জমি দখলসহ একাধিক অনিয়মমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন অভিযোগ রয়েছে।
তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় লোকজন ও দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দানা বাঁধছিল।এ ঘটনায় দলের তৃণমূল কর্মীদের অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, এটি একটি সাহসী এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপ। বহিষ্কারের মাধ্যমে কৃষকদল বার্তা দিয়েছে কেউ আইন ও সাংগঠনিক নিয়মনীতির তথা গঠনতন্ত্রের ঊর্ধ্বে নয়।
প্রসঙ্গত, বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প দেশের উত্তরাঞ্চলে কৃষি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। কিন্তু সেখানে দুর্নীতি, দলীয়করণ ও প্রভাবশালী চক্রের আধিপত্য প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ফলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা বঞ্চিত হচ্ছেন, আর প্রকল্পের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা দিন দিন কমে যাচ্ছে।
জেলা কৃষকদলের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও গঠনতন্ত্রের বাইরে কেউ গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com