1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫

আশাশুনির বাঁকড়ায় সুপেয় পানির প্লান্ট মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়েছে

মোঃ আমিরুর ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে
আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নে বাঁকড়ায় সুপেয় পানির প্লান্ট উদ্বোধন হওয়ায় এলাকার শত শত পরিবারের সুপেয় পানি নিশ্চিত হয়েছে। এখন আর পানির জন্য দূরদুরান্তে কিংবা অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে বা অধিক অর্থ খরচ করে পানির জন্য ছুটতে হচ্ছেনা।
গত ৭ ফেব্রুয়ারী বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর ওয়াটার এইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় প্লান্টটি উদ্বোধন করে। অনুষ্ঠানে প্রধার অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে প্লান্টের শুভ উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রনি আলম নূর। শোভনালী ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আবু বকর সিদ্দীকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসলেমা খাতুন মিলি, ওয়াটার এইড বাংলাদেশের রেবিন চাকমা, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এন্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ এডাবটেশন প্রোগ্রামের ডিরেক্টর ফারুখ আহম্মেদ ও মরিচ্চাপ সুপেয় পানির প্লান্ট কাদাকাটির সভানেত্রী গীতা রায় (জয়িতা)।
রূপান্তর আশাশুনির সুপারভাইজার শেখ রাজীব আলী রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের পরিচিতি পর্বে টগর মহিলা দলের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। মহিলা দলের সদস্যরা হলেন, অন্তরা মুনমুন রানী, কাকলী ইয়াসমিন, মোসলেমা খাতুন, তারমিন সুলতানা ও রোজিনা খাতুন। এই দল পানির প্লান্ট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষন করবে। প্লান্টের উৎপাদিত পানি বিক্রি থেকে উপার্জিত সমুদয় অর্থ নারী উদ্যোক্তাগণ তাদের জীবনমান উন্নয়নের কাজে লাগাবেন। এই প্রান্টের বৈশিষ্ট্য হলো, ভূগর্ভস্থ পানি পরিশোধনের মাধ্যমে নিরাপদ করণ, প্লান্ট স্থাপনের পূর্বে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক পানি পরীক্ষা ও সে অনুযায়ী প্রযুক্তি নির্বাচন করা হয়, ৬টি ধাপে পানি নিরাপদ করা, খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পানির গুণগতমান স্বীকৃত, ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদানমুক্ত ও পরিবেশ মান্ধব। উদ্বোধনী দিনে উপস্থিত প্রত্যেক পরিবারকে ১৫ লিটার পর্যন্ত পানি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com