1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

ইউপির দেড় একর জমির ধান ক্ষেত নষ্ট করেন প্রতিপক্ষরা

মোঃ আশরাফুল আলম
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার  খলিলপুর সরদার পাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষরা জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষরা মোঃ দেলোয়ার সরদারের, এর দেড় একর জমিতে লাগানো ধান ক্ষেত উপড়ে ফেলেন ও বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করেন। পাবর্তীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউপির খলিলপুর সরদার পাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নান সরদারের অভিযোগে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মোঃ হাইকুল ইসলাম (৪০), মোঃ মিজানুর রহমান (৪৮), উভয়ের পিতা মৃত হজকেদ আলী, জালাল উদ্দীন (২৮), রনি (২৮) উভয়ের পিতা মোঃ শাহাজান আলী, মোঃ নুর উদ্দীন (২৫), পিতা মোঃ সোরাব আলী, মোঃ লিমন (২৪) পিতা মোঃ মিজানুর রহমান, মোছাঃ নিলুফা বেগম (৪৮), স্বামী মোঃ শাহাজাহান আলী, মোছাঃ হীরা বেগম (২৫), স্বামী মোঃ জালাল উদ্দীন, মোঃ আলো বেগম (৩৮), পিতা: ইমরান আলী, সর্ব সাং-খলিলপুর সরদারপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর। মোঃ সোরাব উদ্দীন (৪৫), পিতা:আছর উদ্দীন, খলিলপুর সরদারপাড়া, পার্বতীপুর, দিনাজপুর। তারা দলবদ্ধ হয়ে গত রবিবার  গভীর রাতে মোঃ দেলোয়ার সরদারের, জমিতে গিয়ে ধান ক্ষেত কেটে ফেলেন ও বিষ প্রয়োগ করে নষ্ট করে দেন।
উল্লেখ্য যে, ঐ ব্যক্তিরা মোঃ দেলোয়ারের পরিবারদেরকে ২৫/০১/২০২৪ ইং তারিখে মারপিট করায় এদের বিরুদ্ধে মোঃ দেলোয়ার সরদারের, এর পুত্র আব্দুল হান্নান সরদার বাদি হয়ে পার্বতীপুর মডেল থানায় মারপিটের ঘটনায় ১১ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। যাহার মামলা নং-২৫, ২৬/০১/২০২৪ ইং। ধারা ৩২৩, ৩২৫, ৩২৬, ৩০৭, ৩৫৪, ৪২০, ৫০৬ (২) ১১৪ ৩৪ পেনাল কোডে মামলা করেন। ঐ ব্যক্তিদের সাথে জমি জমার বিরোধ নিয়ে পারিবারিক মামলা চলছে। এরই জের ধরে গত রবিবার  দিবাগত রাত্রিতে মোঃ দেলোয়ার সরদার এর জমিতে বিষ প্রয়োগ করেন ও ধানক্ষেতের চারা উপড়ে ফেলেন। এই ঘটনায় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ মোকছেদুল হক জানান, যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা ঠিক করেনি। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কেননা, এতবড় ক্ষতি কোন ভাবে মেনে নেওয়া যায়না। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। জমির মালিক মোঃ দেলোয়ার সরদার জানান, যারা আমার এই ক্ষতি করেছে আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিব।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com