1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

ঈগল মার্কার প্রচার-প্রচারণায় যারা কাজ করছেন তাদের হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে – সংবাদ সম্মেলনে একে আজাদ

নাজিম বকাউল
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৩৬ বার পড়া হয়েছে
”আজকে ফরিদপুরে একটা ভয়ার্ত পরিবেশ। শামীম হকের পক্ষে কাজ করছে ফরিদপুরের শীর্ষ চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। গতকাল রাতেও আমার কর্মীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে। বর্তমানে সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। আমার নারী কর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। ঈগল মার্কার প্রচার-প্রচারণায় যারা কাজ করছেন তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে। অসংখ্যবার থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। প্রার্থী নিজেও আমার কর্মীকে হুমকি দিচ্ছেন ‘নির্বাচনের পরে দেখে নেবেন’। এসবের মধ্য দিয়েই নৌকা মার্কার প্রার্থী শামীম হক তার প্রার্থীতা বাতিলের সকল কর্মকাণ্ড করে ফেলেছেন  বলে মন্তব্য করেছেন হামীম গ্রুপের কর্ণধার ও এফবিসিসিআই এর সাবেক সভাপতি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী একে আজাদ।
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর, প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের হামলাসহ চিহ্নিত অস্ত্রধারী-সন্ত্রাসীদের নির্বাচনের মাঠে নামিয়ে ইতোমধ্যে শামীম হক তার প্রার্থিতা বাতিলের সকল কর্মকাণ্ড করে ফেলেছেন’।
বুধবার  নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ফরিদপুর ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে আজাদ।
স্বতন্ত্র প্রার্থী একে কাদের আজাদের সমর্থক মোঃ আব্দুর রহমান শেখ ঝনকের উপর হামলাসহ গত কয়েকদিনের ভাঙচুর ও নৈরাজের প্রতিবাদে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
‘এ কে  আজাদ বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন’ আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম হকের এমন মন্তবের ব্যাপারে  একে আজাদ বলেন, নির্বাচনী অফিসে হামলা, আমার কর্মীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করাসহ একটা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করে শামীম হকই নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন। আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চান, এদিকে শামীম হক নির্বাচন ভণ্ডুলের সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন। তিনিই মূলত বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সুবল সাহা, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন কমিটির প্রধান বাবু বিপুল ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভী মাসুদ, জেলা আওয়ামী লীগের  সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড.শামসুল হক  (ভোলা মাস্টার),  পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক  সহ স্থানীয়  আওয়ামী লীগ  ও অঅঙ্গ সংগঠনের  নেতা কর্মীরা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com