1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে মতলব উত্তর উপজেলার কাপড়ের দোকানগুলো

সুমন আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
ঈদুল ফিতরের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। ঈদকে ঘিরে জমে উঠেছে মতলব উত্তর উপজেলার পোশাকের দোকানগুলো। ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলো মুখর হয়ে উঠেছে ক্রেতাদের পদচারণায়। তবে ঈদ মার্কেটে মতলব উত্তর উপজেলায় এগিয়ে নারীরা। পনেরো রমজানের পর থেকেই ঈদের বাজার অনেকটা জমে উঠেছে বলে দাবি বিক্রেতাদের। পৌরসভার ছেংগারচর বাজারের বিভিন্ন পোশাকের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, নারী ও শিশুদের পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে। ঈদ মার্কেটে এ বছর ক্রেতাদের বেশি চাহিদা আলিয়া কার্টিন, সারারা-গারারা থ্রি পিস, নায়রা কাট ড্রেস, টু-পিস কামিজ- সেলোয়ার, গাউনসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের শাড়ি। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে পুরুষদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি পাঞ্জাবিতে। কেবল পৌরসভার দোকানগুলোই নয়, ঈদের পোশাক কেনা-কাটায় জমে উঠেছে অন্যান্য বাজারগুলোও। পৌরসভার মুফতি প্লাজা মার্কেটের ভাই ভাই  ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী আবু সাঈদ উজ্জ্বল বলেন, এ বছর ঈদ উপলক্ষে বিক্রি অনেক ভালো। তবে আমরা পোশাক বেশি দামে কিনে আনতে হয়েছে। এজন্য বিক্রিও একটু বেশি দামেই করতে হচ্ছে।
এ নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে অনেক দামাদামি করতে হয়। তারপরও সীমিত লাভেই ক্রেতাদের কাছে তাদের পছন্দের পোশাক বিক্রির চেষ্টা করছি। ঈদ উপলক্ষে পোশাক কিনতে আসা জয়া ,সেতু, শিমুসহ কয়েকজন নারী ক্রেতা জানান, পোশাকের দাম আগের তুলনায় অনেক বেশি। কোনো পোশাক পছন্দ হলেই দোকানদাররা আকাশ ছোঁয়া দাম চাচ্ছেন। তারপরও দামাদামি করে যতটুকু কমিয়ে কেনা যায়, তা দিয়েই পোশাক কিনতে হচ্ছে।
মো. জনি সরকার নামে এক পুরুষ ক্রেতা বলেন, ঈদ উপলক্ষে নিজের পরিবার এবং আত্মীয়-স্বজনদের জন্য শপিং করতে এসেছি। রোজার শেষের দিকে মার্কেটে অনেক ভিড় থাকবে, এজন্য একটু আগেভাগেই এসেছি। শপিং করতে এসে বিভিন্ন দোকান ঘুরে যতটুকু মনে হয়েছে; বিগত বছরের চেয়ে এবছর পোশাকের দাম অনেক চড়া। তবুও ঈদ উপলক্ষে সাধ্যের মধ্যে যা কেনা যায় তাই কিনছি।
ছেংগারচর বাজার বনিক সমিতির সভাপতি গিয়াস উদ্দিন জানান, ঈদ উপলক্ষে ক্রেতা- বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য আমরা সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। রোজার শুরুতেই ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে থানা পুলিশের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। আমরা দেখছি পুলিশ ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাজারের মধ্যে নিয়মিত টহল দিচ্ছে। এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার ওসি (তদন্ত) মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে ঘিরে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে সেজন্য আমাদের থানা পুলিশের কয়েকটি টিম নিয়মিত কাজ করছে। বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। এরপরও যদি কোথায়ও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে তাহলে তাৎক্ষণিক আমাদের জানানোর জন্য সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com