1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

কাউনিয়ায় মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে নিলামবিহীন মালামাল গোপনে বিক্রির অভিযোগ।

আকরাম হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে
রংপুরের কাউনিয়া দাখিল মাদ্রাসার একটি টিনশেড ঘর গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসার সুপার মোঃ মোবাশ্বের আহমদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, মাদ্রাসার পশ্চিম পাশে ঘরের মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন অফিস সহকারী মেহের আলী। তিনি দাবি করেছেন, “আমি এটি কিনে নিয়েছি।”
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘরটি সম্প্রতি গোপনে বিক্রি করা হয়েছে। তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ বা ঘোষণা প্রকাশিত হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে কোনো নিলামের নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তাহের আলী ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও বিষয়টি জানানো হয়নি। তারা প্রশ্ন তুলেছেন, কীভাবে অফিস সহকারী মেহের আলী ঘরটি ভেঙে মালামাল সরিয়ে নিচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঘরটির আনুমানিক মূল্য প্রায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, কোনো নিলাম ছাড়াই ব্যক্তি স্বার্থে ঘরটি বিক্রি করেছেন সুপার মোঃ মোবাশ্বের আহমদ এবং তা কিনেছেন অফিস সহকারী মেহের আলী। এতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
মাদ্রাসার সুপার মোঃ মোবাশ্বের আহমদ জানিয়েছেন, “ঘরটি রেজুলেশনের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। ভবিষ্যতে নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করা হবে।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানিয়েছেন, “মাদ্রাসার সম্পত্তি ব্যক্তিগতভাবে বিক্রি করা যাবে না। এটি স্পষ্ট অনিয়ম। দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।”
বালাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনসার আলী বলেন, “নিলামের পুরো প্রক্রিয়ার দায়িত্ব মাদ্রাসা সুপারের।”
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ তাহের আলী জানিয়েছেন, বিষয়টি তিনি অবগত ছিলেন না। বিষয়টি জানার পর তিনি বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংকন পাল বলেন, “উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com