1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে জমিজমা নিয়ে বিরোধ; নারী নির্যাতন সহ প্রাণনাশের হুমকিতে থানায় অভিযোগ

আনোয়ার হোসেন, কুড়িগ্রাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নে পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এক গৃহবধূর ওপর হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে।

 

এ ঘটনায় বর্তমানে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালিগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মোমিন পাড়ার বাসিন্দা মোছাঃ প্রিয়াংকা খাতুন তার পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে প্রতিবেশী মোঃ নুরুজ্জামাল, তার স্ত্রী মোছাঃ কাকলি বেগম ও তাদের কন্যা শেফা খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘ প্রায় ৮ মাস ধরে বিরোধে জড়িয়ে আছেন। অভিযোগে বলা হয়, প্রায় ৬ মাস আগে বিবাদীরা প্রিয়াংকার পৈত্রিক জমিতে থাকা একটি জাম গাছ কেটে নিয়ে যায়। সর্বশেষ গত ১ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ বিকেলে গাছের কাঠ চেরাইয়ের জন্য নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে প্রিয়াংকা খাতুন প্রতিবাদ জানাতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এসময় বিবাদীরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে সংঘবদ্ধভাবে তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। ঘটনার সময় প্রিয়াংকার দেবর ও শাশুড়ি এগিয়ে এলে তাদেরও গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কি করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

শুধু তাই নয়, উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের একা পেলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।

 

এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এদিকে, ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং দ্রুত বিচার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com