1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শাহবাগে ফের পুলিশ-শিক্ষক মুখোমুখি হামাসের তিন সদস্যকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের মানবতাবিরোধী অপরাধ: নানক-তাপসসহ ২৮ জনের অভিযোগ গঠন শুনানি আজ ৫ মে চট্টগ্রাম পৌঁছবে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল: কর্মকর্তা ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে গুলি চালানো কে এই কোল টমাস অ্যালেন? পবিপ্রবিতে জিওস্পেশাল ও ড্রোন প্রযুক্তি বিষয়ক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু সোনাতলায় সিনিয়র শিক্ষক জামাল উদ্দিনের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত নড়াইলে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারী ও তার কোলে থাকা শিশুর মৃত্যু টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস)-এর আহ্বায়ক কমিটি গঠন, অভিনন্দন ও শুভেচ্ছার জোয়ার প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে রংপুরের তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

কুষ্টিয়ায় শিক্ষিকার সঙ্গে প্রেম, বিচ্ছেদের পর ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

উজ্জ্বল আলী
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে
উজ্জ্বল (কুষ্টিয়া  প্রতিনিধি)।
শিক্ষিকার সঙ্গে প্রেম ভেঙে যাওয়ায় কুষ্টিয়ার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চতুর্থ সেমিস্টারের ছাত্র  সাগর চন্দ্র বিশ্বাস (২২) নামে এক ছাত্র আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে পৌরসভার সেরকান্দি এলাকার ভাড়া বাড়ি থেকে ওই ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানাযায় শিক্ষিকার সঙ্গে প্রেমে ব্যর্থ হয়ে সাগর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। মৃত সাগর চন্দ্র বিশ্বাস কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের দড়ি মালিয়াট গ্রামের মনোরঞ্জন বিশ্বাসের ছেলে।
এ বিষয়ে সাগরের মা বলেন, কুষ্টিয়ার একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষিকার সঙ্গে আমার ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বনিবনা না হওয়ায় সম্প্রতি সে সম্পর্ক ভেঙে যায়। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে সাগর মানসিক রোগীদের মতো হয়ে যান। সে জন্য সাগর কয়েকবার কলেজে গিয়ে ম্যাডামকে অনুরোধ করে সম্পর্ক ঠিক করার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো ফল হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ঘুমের ওষুধ খাওয়ার কারণে সাগর প্রতিদিন বিকেলে ঘুম থেকে উঠত। আজ বিকেলে ঘুম থেকে না উঠলে আমি প্রথমে ডাকাডাকি করি। সাগরের মোবাইল ফোনে কল দিয়ে ঘুম ভাঙানোর চেষ্টা করি। তাতেও সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় সাগর ঝুলছে। ম্যাডামের সঙ্গে প্রেমের বিচ্ছেদ সইতে না পেরে সাগর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
সাগরের কয়েকজন বন্ধু বলেন, আমাদের এক শিক্ষিকার সঙ্গে সাগরের গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ফেসবুকে দুজনের ছবিও পোস্ট দেওয়া হতো। কয়েক মাস আগে তাদের সম্পর্কের অবনতি হলে সাগর ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়েই সাগর মানসিক রোগী হয়ে গিয়েছিল।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ওই শিক্ষিকার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে  পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, এ বিষয়ে কিছু জানি না আমরা।
কুমারখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিবুল ইসলাম বলেন, কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com