1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র নাহিদকে ‘আমার নেতা, বাংলাদেশের নেতা’ বললেন হাসনাত কারও সাহায্য না পেয়ে ২০ বছরের প্রচেষ্টায় নিজস্ব ট্যাংকের মালিক তুরস্ক ভোটের ময়দানে প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত থালাপতি বিজয় রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান সাতক্ষীরার নিকটবর্তী কদমতলা বাজারে সাশ্রয়ী দামে সবজি, কেনাবেচা বর্ষা আসার আগেই বাগেরহাটে জলাবদ্ধতা, শহরজুড়ে পানি দ্রুত ব্যবস্থা চান স্থানীয়রা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শালিক “মুনু”, মানুষ আর পাখির ব্যতিক্রমী ভালোবাসা রাজবাড়ীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেলো বাবার,কোল থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণে বাঁচল শিশুসন্তান নলডাঙ্গায় মেয়র প্রার্থী জিয়ার উদ্যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কালার প্রিন্টার প্রদান

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

মো: বিল্লাল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৫০ বার পড়া হয়েছে
কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলমের নেতৃত্বে রাতের বেলা মাওলা সরকার(৪৫) নামের এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার পূর্ব ধইর পশ্চিম ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত কৃষক মাওলা সরকার মহেশপুর গ্রামের মৃত হাশেম সরকারের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ও নিহতের চাচাতো ভাই আবদুর রহিম সরকার জানান, উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন মহেশপুর গ্রামের নোয়াব সরকারের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলম বিডিআরের সাথে দীর্ঘদিন ধরে আমার পরিবারের সাথে মেম্বারি নির্বাচন ও সেচস্ক্রীম নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সেই দ্বন্দ্ব নিয়ে পূর্বেই একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে। এগুলো নিয়ে মামলা চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নয়টার দিকে মাওলাসহ আমরা কয়েকজন  মহেশপুর বাজার থেকে বাড়ীতে আসার পথে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা আলম, নানু মেম্মার, দেলোয়ার,  মোজাম্মেলসহ ৮/১০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল পেছন থেকে মাওলার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। কোনকিছু বুঝে উঠার আগেই মাওলাকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। আমাদের শোর-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মোশারফ হোসেন বলেন আমরা বাজার থেকে ফেরার পথে তাল গাছের পাশের ঝোপের ভেতর থেকে ৮/১০ জন লোক বের হয়ে মাওলাকে পেছন থেকে কোপাতে ও পিটাতে থাকে। আমরা চিৎকার শুরু করলে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানায়, পিলখানার ঘটনায় চাকরী হারানো খোরশেদ আলম এলাকায় এসে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। বিভিন্ন লোকজনের উপর হামলা মামলার মাধ্যমে এলাকাকে জিম্মি করে রেখেছেন এই খোরশেদ আলম। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর এনসিপি সাথে যোগদান করেন তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজের দলবল নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সাথে যোগ দিয়ে এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করেন।
হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছে স্বজনরা।
বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কাদের জানান, নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান চলছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে মামালা রেকর্ড করা হবে
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com