1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

দুর্নীতি ও অনিয়মের দায়ে অধ্যক্ষ দম্পতির এমপিও বাতিলের অভিযোগ

আক্তার হোসেন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী চম্পা রানী মন্ডলকে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে এমপিও বাতিল করা হয়েছে বলে জানা যায়।

ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায়, শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় একই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈর স্ত্রী চম্পা রানী মন্ডলকে। অধ্যক্ষের নিয়োগ বাণিজ্য, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তাদের দু’জনের এমপিও বাতিলের অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম এর স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ ও তার স্ত্রী চম্পা রানী মন্ডলের এমপিও বাতিল করা হয়। তাদের এমপিও বাতিলের বিষয়টি গত ১৩ ডিসেম্বর-২০২৩ জানানো হয়।

জানা গেছে, অধ্যক্ষ হিসেবে দুর্লভানন্দ বাড়ৈ শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানকে অনিয়ম ও দুর্নীতির আখরায় পরিনত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে বানিজ্য করার অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ প্রতিষ্ঠানে নিজের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতে স্ত্রী চম্পা রানীকে সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার অভিযোগও আছে অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈর বিরুদ্ধে।

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে, মাউশি তদন্ত বিভাগের তদন্তে তাদের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের উভয়ের এমপিও বাতিল করা হয়।

এমপিও বাতিল সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রভাষক চম্পা রানী মন্ডল বলেন, অভিযোগ এসেছে আমার নিয়োগ অবৈধ। আমি নিজে নিজে নিয়োগ নেই নি।নিয়োগ যারা দিয়েছে তারা বলতে পারবে। যদি নিয়োগ অবৈধ হয় তাহলে কর্তৃপক্ষ আছে তারা ব্যবস্থা নিবে। অন্যান্য অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে উঠে নাই। অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে উঠেছে। সেটা তার বিষয় তাকে জিজ্ঞেস করেন।

দুর্নীতির অভিযোগ ও এমপিও বাতিলের ব্যাপারে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ দুর্লভানন্দ বাড়ৈ বলেন, এ বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই, যে অভিযোগটি তোলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

অধ্যক্ষসহ দু’জন শিক্ষকের এমপিও বাতিলের ব্যাপারে চানতে চাইলে শশিকর শহীদ স্মৃতি মহবিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি স্বপন সরকার বলেন, আমরা ডিজি অফিস থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেব।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com