1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টার এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’: ঝুঁকিতে চিকিৎসক-নার্স, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মানিকগেঞ্জ নব নিযুক্ত জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে হরিরামপুর প্রেসক্লাবের মত বিনিময়

নারী ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকায় পুলিশ জোনের ইন্সপেক্টরকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় জনতা

মোঃ মাসুম বিল্লাহ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৩৭ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নারী ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের ইন্সপেক্টর হুমায়ুনকে একটি নির্মাণাধীন ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় জনতা। এ সময় ওই ভবনে ভাংচুর চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে পৌরমেয়র আনোয়ার হাওলাদার , ট্যুরিস্ট পুলিশ পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ ও ডাবলু এবং থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। অভিযুক্ত ওই ইন্সপেক্টরকে উদ্ধার করে মহিপুর থানা হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। বুধবার গভীর রাতে কুয়াকাটা পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ডের পাঞ্জুপাড়া গ্রামে  এ ঘটনা ঘটে।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে স্থানীয় যুবক কাইয়ূম সিকদার (৩০) এর সাথে মাদক ও নারী ব্যবসা নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। এ সময় কাইয়ুম সিকদারকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয় এমন অভিযোগে স্থানীয় মানুষজন জড়ো হয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর হুমায়ুনকে অবরুদ্ধ করে রাখাসহ ওই ভবনে ভাংচুর চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা।

 

এ সময় তারা অভিযোগ করেন, ট্যুরিস্ট পুলিশের ওই কর্মকর্তার যোগসাজশে নারী ও মাদকের আড্ডা চলে এখানে। রুমের ভিতরে নারীসহ পুলিশ পরিদর্শক হুমায়ুন অবস্থান করছে। তবে এমন অভিযোগের সত্যতা না পেলেও সেখান থেকে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করে মহিপুর থানা পুলিশ।

 

অভিযুক্ত ট্যুরিস্ট পুলিশের ওই কর্মকর্তা এবং ভবনের কেয়ারটেকার সবুজের দাবী, তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা। কায়ূম সিকদার একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারী। মদ খেয়ে এসে হোটেলে ভাংচুর চালায়।

 

এঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের  আশ্বাস দেন মহিপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে স্থানীয়রা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com