1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

পলাশবাড়ীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাটবীজ ও সার বিতরণের উদ্বোধন

মোঃফেরদাউছ মিয়া 
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ২০২৫–২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের পাটবীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
রবিবার (১৬ মার্চ) উপজেলা পরিষদ হলরুমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণীদের মাঝে আউশ ধান, পাট, তিল, গ্রীষ্মকালীন মুগ ও হলুদসহ বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাতের বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন সোহেল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাবের আহামেদ। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পাটবীজ বিতরণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, খরিপ-১ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত করতে বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। কর্মসূচির আওতায় পাট চাষের জন্য ১০০ জন কৃষককে ১ কেজি করে বীজ, ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। হলুদ চাষের জন্য ১০ জন কৃষককে ১০০ কেজি করে বীজের পাশাপাশি ৫ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া আউশ ধান চাষে উৎসাহ দিতে ১ হাজার কৃষককে ৫ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়। তিল চাষের জন্য ১০ জন কৃষককে ১ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার এবং গ্রীষ্মকালীন মুগ চাষের জন্য ৩০ জন কৃষককে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ৫ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে।
কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে দুটি এয়ারফ্লো মেশিনও সরবরাহ করা হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণ এবং সঠিক পদ্ধতিতে সার প্রয়োগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
কৃষি বিভাগের সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক-কৃষাণীরা উপস্থিত থেকে বিনামূল্যে এসব বীজ ও সার গ্রহণ করেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com