1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

পাবনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হামিদকে শোকজ

 সানা উল্লাহ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩১৬ বার পড়া হয়েছে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে একাধিক নির্বাচনী ক্যাম্প করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় নৌকা এবং আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীকে শোকজ করা হয়েছে।
পাবনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হামিদকে শোকজ নোটিশ দেয় নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে পাবনা-৩ আসনের জন্য গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির প্রধান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাজউল ইসলাম এই নোটিশ দেন।
আসনটিতে টানা তিনবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মকবুল হোসেন। অন্যদিকে আব্দুল হামিদ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি এবার উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
দুই প্রার্থীকে দেওয়া পৃথক শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, আপনি (আপনারা) নৌকা ও ট্রাক প্রতীক নিয়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। আপনাদের নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অন্তর্গত প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক নির্বাচনী ক্যাম্প করেছেন, যা নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম। আপনাদের এমন কাজ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নির্বাচনী এলাকা পাবনা-৩ অধিক্ষেত্রের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন মর্মে আপাতদৃষ্টে প্রতীয়মান হয়েছে।
আইনভঙ্গের কারণে কেন আপনার (আপনাদের) বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না সে মর্মে আগামী ৩১ ডিসেম্বর বেল ১১টায় সশরীরে নিম্ন স্বাক্ষরকারীর খাস-কামরায় উপস্থিত হয়ে নিজে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা প্রদান করতে নির্দেশ প্রদান করা হলো। অন্যথায় আপনার ব্যাখ্যা ছাড়াই নির্বাচন কমিশনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করা হবে।
এ প্রসঙ্গে জানতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মকবুল হোসেনের মুঠোফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে সাংবাদিক পরিচয়ে খুদে বার্তা পাঠালেও সাড়া মেলেনি।
তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হামিদ বলেন, নোটিশ এখনো হাতে পাইনি। অধিক নির্বাচন ক্যাম্পের বিষয়টি নজরে আসেনি। কর্মী-সমর্থকরা করতে পারেন। তবে আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কর্মী-সমর্থকদের আইন মেনে চলতে নির্দেশ দেওয়া হবে। আর নোটিশ পেলে যথাসময়ে জবাব দেওয়া হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com