1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা

প্রিয় জন্মভূমির সান্দিকোনায় নৌকার ভোট চাইলেন অসীম কুমার উকিল

শামীম আহমেদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ৩২৫ বার পড়া হয়েছে

১৫৯ নেত্রকোনা-৩ আসনে (আটপাড়া কেন্দুয়া নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী অসীম কুমার উকিল নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে জন্মভূমি সান্দিকোনায় সকলের কাছে নৌকায় ভোট চাইলেন। রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় সান্দিকোনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের মতবিনিময় সভায় এ ভোট চান তিনি।

এ সময় তিনি বলেন, এই সান্দিকোনার ধূলোমাটি মেখেই বড় হয়েছি। এই মাটির ঋণ কোন দিন শোধ করতে পারব না। সান্দিকোনার সন্তান হিসাবে বিগত ৫ বছর জাতীয় সংসদ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সব মানুষের আশা ও উন্নয়ক কর্মকান্ডে চাহিদা পূরণ করতে পারিনী। এতে এই সময়ে যতটুকু সফলতা এসেছে ততটুকু সমগ্র সান্দিকোনা বাসীর আর যতটুকু ব্যর্থতা সবটুকুই আমার।

অসীম কুমার উকিল বলেন, এই সান্দিকোনার পবিত্র মাটিতে দাঁড়িয়ে বলছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও দলের সাথে কোন প্রাতারণা করিনি। কাউকে

চাকুরী বা কোন কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেই নি। যা পারব তা করেছি যা পারব না তা না করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুদানের চেক আগে ঢাকা থেকে গিয়ে আনতে হতো।

এমপির ডিওলেটারের জন্য অনেক ঘুরতে হতো এবং বিভিন্ন মিটিংয়ের নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও নেতাকর্মীদের ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হতো। কিন্তু আমি আপনাদের সান্দিকোনার অসীম উকিল হিসাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এসব চেক এনে সংগ্রহ করে নির্বাচনী এলাকার অসহায় মানুষদেরকে কেন্দুয়ার বাসাতে এনে বিতরণ করেছি। সময়মতো মিটিংয়ে গিয়ে উপস্থিত হয়েছি। চেষ্টা করেছি একটি সিস্টেমের মাধ্যমে দলটাকে পরিচালনা করার।

এতে অনেকেরেই মনে কষ্ট আছে। সেই কষ্ট বিষয়টি প্রথমবার এমপি হিসাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বুঝেছি। আপনাদের ভোটে যদি আবার মহান সংসদে যেতে পারি সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সকলের মনের কষ্ট দূর করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করব। তাই আপনাদের কাছে করজোরে অনুরোধ রাখছি অতীথের সব ভুলভ্রান্তি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসাতে সকলে মিলেই নৌকায় ভোটদিন। নৌকা মার্কাকে জয়যুক্ত করুন। মনে রাখবেন যতদিন শেখ হাসিনার হাতে দেশ, তত দিন পথ হারাবেনা বাংলাদেশ।

সান্দিকোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ছয় বারের নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতারা নৌকার বিজয় নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে বক্তব্য দেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com