1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার

ফরিদপুরের সকল নৌকার অবস্থা ঝুকিপূর্ণ

নাজিম বকাউল
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে ফরিদপুরে আওয়ামীলীগের ৪টি আসনই বিভিন্ন কারনে নৌকার প্রার্থীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। সুবিধা জনক অবস্থানে আছে আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ফরিদপুর আসন (১) বোয়ালমারী-মধুখালী ও আলফাডাঙ্গা নিয়ে গঠিত। এখানে নৌকার প্রার্থী আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়ামের সদস্য আব্দুর রহমান। স্বতন্ত্র প্রার্থী আছে ,কৃষক লীগের সহসভাপতি আরিফুর রহমান দোলন। তবে বিভিন্ন কারনে দুই জনই বিতর্কিত।
একাধিক এলাকাবাসী জানান, খোন্দকার মোশারফ হোসেন ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় তার নাম ব‍্যবহার করে অনেক সুযোগ সুবিধা সহ অনেক কিছু করেছে। দুই হাজার কোটি টাকার মানল্ডারীং মামলার সাথে জড়িত রয়েছে সি আই ডির তদন্তে আদালতে রিপোর্ট জমাও দেওয়া হয়েছে।
 অপর দিকে আব্দুর রহমান পর পর দুই বার সংসদ  নির্বাচিত হয়ে তার নিজস্ব লোক ছাড়া কিছুই করেন নাই। তবে আলোচিত কিছু রাস্তা ঘাট করিয়েছেন। আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ গুলো হচ্ছে কমিটি ও ইউ পি নির্বাচনে মনোয়ন বানিজ‍্য।
ফরিদপুর নির্বাচনী আসন (২) সালথা-নগরকান্দা। এ আসনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন পেয়েছে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী পুত্র কনিষ্ঠ পুত্র শাহাবাব আকবর চৌধুরী লাবু। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিয়া। কিন্তু লাবু চৌধুরীর বিরুদ্ধে  এলাকাবাসির অভিযোগ অনেক। তিনি এলাকার বহু দলীয় নেতা কর্মিদের হামলা মামলা দিয়ে নির্যাতন চালিয়েছেন অনেক। তার মধ্যে  সালথা উপজেলা পরিষদ হামলার মামলায় তার ভুমিকা ছিল রহস্য জনক। এ ঘটনার মিথ্যা মামলায় অনেক নিরহ মানুষ জেল খেটেছে।সালথা -নগরকান্দায় আওয়ামীলীগ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পরেছে।
ফরিদপুর নির্বাচনী আসন (৩) সদর এ আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি
শামীম হক। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছে ফরিদপুর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা কর্মিটির সদস্য ও বিশিষ্ট ব‍্যাবসায়ি হা-মীম গ্রুপের কর্নধার একে আজাদ।
শহরবাসী জানান, ফরিদপুরে শামীম হক  একজন ভালো লোক। কোন টাকা পয়সার প্রতি কোন লোভ লালসা তার নেই।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তার সাথে সামনে পিছনে যারা থাকে এদের কোন গ্রহনযোগ্যতা নেই শহরে।  এদের কে ফরিদপুর বাসি ত্রাস হিসাবে মানুষ চিনে।  এজন্য এদের নিয়ে ভোট চাইতে আসাটাভোটারা পছন্দ করেনা।
ফরিদপুর নির্বাচনী আসন (৪) ভাংগা- সদরপুর – চরভদ্রাসন নিয়ে গঠিত।এ আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী প্রেসিডিয়াম  সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ এবং  স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছে বতর্মান স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবর রহমান চৌধুরী নিক্সন।
নিক্সন চৌধুরী  গত দুটি সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করে কাজী জাফর উল্লাহ কে হারিয়ে নির্বাচিত হয়েছে। কাজী জাফর উল্লাহ বিরুদ্ধে এলাকাবাসির অভিযোগের বিস্তার নাই। তিনি বেশি ভাগ সময় ঢাকায় অবস্থান করে। এলাকার লোকের সাথে যোগাযোগ নাই বললেই চলে। কাজী সাহের এপিএস মামুনের বিরুদ্ধে ও রয়েছে অভিযোগ   সাধারণ জনগন কাজী জাফর উল্লাহ সাথে দেখাকরতে বা কথা বলতে হলে আগে তাকে ম‍্যানেজ করতে হয় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসীরা। তবে নিক্সন চৌধুরীর সাথে কথা বলতে বা দেখা করতে এপিএস পযর্ন্ত পৌছানো লাগে না বলে এলাকাবাসীরা জানান।
এই সব সার্বিক মিলিয়ে ফরিদপুরের চার টি আসন আওয়ামীলীগের জন‍্যঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করে ফরিদপুরের সকল এলাকার ভোটারা।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com