1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান

বরগুনায় মিথ্যা মামলাসহ মনগড়া সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ

মোঃ সাইফুর রহমান সজীব
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে
বরগুনার আমতলী উপজেলায় এক অষ্টম শ্রেনীতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে উত্যাক্ত করার প্রতিবাদ করায় মা-বাবাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় জাহিদ মোল্লা ও তার স্বজনরা লোহার হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে ঘটনাটি কিছু সংবাদ মাধ্যম মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেন। স্কুল ছাত্রীর পরিবার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মারধর করা ও থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন।
বুধবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন, আমতলী উপজেলার নাচনাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. পলাশ আকন। সংবাদ সম্মেলনে হামলার শিকার সজল আকনের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে মো. পলাশ আকান লিখিত অভিযোগে বলেন, ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী শাহিন আলমের নেতৃত্বে ৭/৮ জন সন্ত্রাসী খুড়িয়ার খেয়াঘাট বাজারে গতিরোধ করে তার ভাই জাহিদকে মারধর ও মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এঘটনায় বাধা দিলে তার ছোট ভাই সজল আকনের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। রিমন নামের আরেক সন্ত্রাসী রড দিয়ে বেদম পিটায়। আমরা কোনমতে উদ্ধার করে আহতদের আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি।  আমতলী উপজেলার কর্মরত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারা উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে অসুস্থ সজলের নাম কেটে দেন।
পরদিন সজলের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে আমরা বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করি। এঘটনায় আমরা আমতলী থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে গড়িমসি করলে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।
এদিকে যারা সন্ত্রাসী হামলা চালালো, পিটিয়ে জখম করলো, তারাই মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে ‘মেয়েকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মা-মেয়েকে হাতুড়িপেটা’ ও ‘অন্তঃসত্ত্বা মা বাবাকে হাতুড়িপেটা’।
আমরা প্রকাশিত এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে একটাই দাবি সঠিক ঘটনাটা তদন্ত করে সংবাদ প্রকাশ করেন। আমাদেরকে যার যার পরিবারে মান সম্মান নিয়ে পরিবারের মানুষের সাথে বসবাস করতে যানি পারি। এত বড় মিথ্যা অপবাদ গণমাধ্যম কর্মীরা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে এটা যদি সঠিক তদন্ত করে সংবাদ প্রকাশ না করা হয় তাহলে আমরা প্রকাশ্যে আত্মহত্যা করব।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com