1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

বরগুনা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার টুকু সংসদ সদস্য নির্বাচিত

রাশিমুল হক রিমন
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২৪৩৫ বার পড়া হয়েছে

বরগুনা-১ আসনে স্বতন্ত্রপ্রার্থী গোলাম সরোয়ার টুকু ঈগল প্রতীক নিয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এ আসনের ১৮৭টি কেন্দ্রের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার টুকু পেয়েছেন ৬১৭৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ফোরকান (কাঁচি ) প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫৭৮৭৪ ভোট। এছাড়া নৌকা প্রতীক নিয়ে অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু পেয়েছেন ৫৪১৬৮ ভোট।

বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বেসরকারি ভাবে গোলাম সরোয়ার টুকুকে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

গোলাম সরোয়ার টুকু বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বরগুনা জেলা স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বরগুনা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯০ সালে তিনি আবারো বরগুনা সরকারি কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৯৪ সালের তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হন। এই পদে তিনি ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বহাল ছিলেন।

১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের হয়ে কাজ করেন। ২০০৫ সালে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হন ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

বর্তমানে তিনি বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের ১ নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গোলাম  সারোয়ার টুকু বরগুনা বাসীর উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি লেখেন,  সেখানে তিনি লেখেন

প্রাণপ্রিয় বরগুনা -আমতলী -তালতলীবাসী।

আপনাদের পরিবর্তনের জন্য জেগে ওঠা এবং ঈগলের সুনিশ্চিত বিজয় ঠেকাতে আমাদের প্রতিপক্ষ দুর্নীতিবাজ জুলুমকারীচক্র নানাভাবে ষড়যন্ত্র শুর করেছে। জনগণের লুটের টাকা দিয়ে ভোট কিনে এই গণজোয়ার ঠেকাতে মাঠে নেমেছে।

এতে ব্যর্থ হলে তারা ভোট বন্ধের জন্য চক্রান্ত ও পরিকল্পনা করছে। আপনারা সতর্ক থাকবেন এ ষড়যন্ত্র সম্পর্কে। শেষ সময়টা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে আমরা রাতে গ্রামে গ্রামে পাহারা দেব, কালো টাকা দিয়ে ভোট কিনতে যাওয়া দুর্বৃত্তদের   ঠেকাতে।

ভোটের দিন আমরা প্রত্যেকে ভোট দিয়ে কেন্দ্রে অবস্থান করবো ভোট গুনে ফলাফল নিয়ে তবে ফিরবো। এ জন্য আজ ও কাল- দুটি দিন আপনাদের কষ্ট করতে হবে বৃহত্তর ভালোর জন্য নিজেদের আরামকে উৎসর্গ করতে হবে।

আমি আমার সারাজীবন আপনাদের জন্য উৎসর্গ করার পণ করেছি। আপনারা আমার জন্য এই ৩০ ঘন্টা  সময় উৎসর্গ করুন।

অবশ্যই আমরা জয়ী হব। আমার জয় মানেই আপনাদের জয়।

দুর্নীতি-অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে আপনাদের আকাঙ্ক্ষার  জয়।

ভাহ ও বোনেরা আমার,

কোনও অবস্থাতেই যেন ওই অসৎ লুটেরা ভোট বানচাল করতে না পারে তার জন্য সজাগ দৃষ্টি রাখবেন। পরিবারের

সবাইকে নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন, ভোট দিবেন। আপনার অধিকার প্রতিষ্ঠার, আপনার সম্মান ফিরিয়ে আনার এই নির্বাচনে ওই দুঙ্কৃতিকারীদের প্রতিহত করুন।

 মনে রাখবেন, বরগুনার এই অসৎ অলস ও দুর্নীতিগ্রস্ত নেতৃত্বকে রুখে দেয়ার এটাই সুযোগ এটাহ শ্রেষ্ঠ সময়। ঈগল মার্কার জয় হোক। বরগুনার আপামর জনগণের মুক্তি হোক।

পরিবর্তনেই মুক্তি।

সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বরগুনা বাসীর ভালবাসায় তিনি দ্বাদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

বরগুনা সদর উপজেলায় তিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। তালতলী উপজেলায় তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। তালতলীতে এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (নৌকা) প্রথম অবস্থানে ছিল।

তৃতীয় অবস্থানে ছিল গোলাম  সরোয়ার ফোরকান (কাঁচি) মার্কা নিয়ে। গোলাম সরোয়ার টুকু  সবচেয়ে কম ভোট পেয়েছেন আমতলী উপজেলায়।

এডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (সাবেক এমপি) ও গোলাম সারোয়ার টুকুর বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায় হওয়াতে গোলাম সরোয়ার ফোরকান (কাঁচি )মার্কা নিয়ে সেখানে তেমন সুবিধা করতে পারেনি।

তেমনি গোলাম  সরোয়ার ফোরকানের বাড়ি আমতলী উপজেলায় হওয়াতে এখানে তিনি অন্য দুই প্রার্থীর থেকে বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকেন।

মূল লড়াইটা ছিল গোলাম  সরোয়ার ফোরকান ও গোলাম সরোয়ার টুকুর মধ্যে। ভোটের লড়াইয়ে খানিকটা পিছিয়ে পড়েন ৫ বার আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচিত সংসদ সদস্য  অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু।

বরগুনায় ১ আসনের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।

জনগণ তাদের চূড়ান্ত রায় পবিত্র আমানত মূল্যবান ভোট দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে।

বরগুনা-১ বাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা উন্নয়ন ও অগ্রগতির যে জোয়ার সারা দেশে বইছে সেই উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা যেন এই আসনেও বজায় থাকে সাধারণ মানুষ এমনটিই জানিয়েছেন দৈনিক দেশ বুলেটিনকে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com