1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

বাগেরহাটের মানুষের কাছে চুইঝাল ব্যাপক জনপ্রিয় দিনদিন বাড়ছে জনপ্রিয়তা রয়েছে ছোট বড় স্থায়ী-অস্থায়ী মোট ৬০টি দোকান

মোঃ লিমন হাওলাদার
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাটের মানুষের কাছে চুইঝাল ব্যাপক জনপ্রিয়। দিনদিন এর জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। এই চুইঝালের শহরে ছোট বড় স্থায়ী-অস্থায়ী মোট ৬০টি দোকান রয়েছে।বেড়েছে চুইঝালের চাহিদা। আর চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দামও।যেকোনো মাংসের সঙ্গে কয়েক টুকরো চুইঝাল মাংসের স্বাদ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে গরু ও খাসির মাংসের স্বাদ বাড়াতে এর জুড়ি নেই।এ চুইঝালের কদর আগের তুলনায় বাড়ছে। বিশেষ করে ঈদের সময় চাহিদা বাড়ে সবচেয়ে বেশি। আগে যে চুই ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রেতার বাড়ি থেকে পাইকারি দরে কিনে আনতেন, ঈদের কারণে সেই চুই এখন কিনতে হচ্ছে ৮০০ টাকায়। তবে মূল চুইয়ের দাম সবচেয়ে বেশি। তিনি আরো বলেন, আমার কাছে ৫০০ টাকা থেকে ১২শ টাকা কেজির চুইঝাল রয়েছে।শবজি বাজারে দেড় যুগেরও বেশি সময় ধরে শুধু চুইঝাল বিক্রি করছেন জামান শেখ। প্রতিদিন সকালে চুইঝালের দোকান নিয়ে বসেন তিনি, থাকেন বাজার শেষ না হওয়া পর্যন্ত। এই চুইঝাল বিক্রি করে দুই ছেলে ও এক মেয়েকে লেখাপড়াসহ সংসারের সব খরচ চালান তিনি।শহরের আরেক বিক্রেতা সোহাগ হাওলাদার বলেন, হঠাৎ চুইঝালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। এ কারণে বাজারে চুইঝালের দাম বেড়েছে। স্থানীয় জাতের যে চুইঝাল আগে প্রতি মণ ২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৫০০ টাকায়। মোটা ও মূল চুইয়ের দাম সবচেয়ে বেশি।চুইঝাল কিনছিলেন আকলিমা বেগম তিনি বলেন, এখন চুইঝাল ছাড়া গরুর মাংসের তেমন স্বাদই পাই না। প্রতিবছর ঈদের সময় বেশি করে চুইঝাল কিনে রাখি। ঢাকায় থাকা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতেও পাঠাতে হয়। এবার দেখছি দামটা বেশি।বাগেরহাট শহরের বাইরে ও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বাজারে বিক্রি হওয়া এই চুইঝাল অনেক দোকান ঘুরে দেখা যায়, চিকন ডাল কেজি ৪৫০-৫০০ টাকা, একটু মোটা ডাল ৬০০-৬৫০ টাকা, বড় ডাল ১১০০-১২০০ টাকা, গাছ-কাণ্ড ১২০০-১৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com