1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

বিদ্যুৎবিভ্রাট ভোগান্তিতে মির্জাপুরের মানুষ

জাহাঙ্গীর আলম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২০৭ বার পড়া হয়েছে
তীব্র দাবদাহের মধ্যে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। প্রচণ্ড গরমে হাঁপিয়ে ওঠা মানুষ এখন বারবার বিদ্যুতের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দিনে সূর্যের তেজ আর রাতে ভাপসা গরমে অসহনীয় অবস্থায় সময় পার করছে মানুষ। বিদ্যুিবভ্রাটে খেটে খাওয়া মানুষ বৈদ্যুতিক পাখার বাতাস থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। শিল্প-কারখানায় উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। প্রচণ্ড দাবদাহ আর দিনের বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বেচাবিক্রি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় উপজেলাজুড়ে বারবার লোডশেডিং চলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মির্জাপুর ও গোড়াই পল্লী বিদ্যুৎ অফিস।
মির্জাপুর ও গোড়াই জোনাল অফিসের অধীন এক লাখ ৬০ হাজার বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছে। এ ছাড়া ছোট-বড় চার শতাধিক শিল্প-কারখানাও রয়েছে। এসব শিল্প-কারখানায় তিন লক্ষাধিক শ্রমিক কর্মরত। গত এক সপ্তাহ ধরে চলছে মির্জাপুরে ঘন ঘন লোডশেডিং।
এতে জনজীবন বিপর্যস্ত। মানুষের সঙ্গে প্রাণিকুলের অবস্থাও ওষ্ঠাগত। কয়েক দিন ধরে এ উপজেলায় ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করেছে বলে কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে।লোডশেডিং হলে বাড়ির মধ্যে দম বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হচ্ছে। শহরের তুলনায় গ্রামে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ আরো বেশি।
বিশেষ করে এক সপ্তাহ ধরে গড়ে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। গত বুধবার রাতে এবং বৃহস্পতিবার দিনে অন্তত ১২ থেকে ১৫ বার বিদ্যুিবভ্রাট হয়েছে। টাঙ্গাইলের একমাত্র শিল্পাঞ্চল খ্যাত উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চলের মিল-কারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া এই লোডশেডিং এর ফলে কৃষকের অনেক জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পানির অভাবে ।এরকম লোডশেডিং থাকলে কৃষকদের অনেক লোকসান গুনতে হবে ।
পল্লীবিদ্যুৎ গোড়াই অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) খালিদ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন জানান, তার অফিসের আওতায় ছোট-বড় মিলে ৪৫০ শিল্প-কারখানাসহ ৭২ হাজার গ্রাহকের জন্য বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে ৫০ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ করা হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ মেগাওয়াট। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে লোডশেডিং কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com