1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

ভোলার মনপুরায় ২৮ অক্টোবর শহীদদের স্মরনে জামায়াতে ইমলামি’র সমাবেশ ও দোয়া

মোহাম্মদ মেহেদী হাসান
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে
ভোলার মনপুরায় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠার হামলায় নিহত শহীদদের স্মরনে জামায়াতে ইমলামি’র সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ১ নং মনপুরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী’র উদ্যোগে এই ইসলামী সমাবেশ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।সোমবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় উপজেলার ১ নং মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ নতুন বাজারে এই ইসলামী সমাবেশ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।এর পূর্বে বিকেলে আছর নামাজের পর ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠার হামলায় শহীদদের স্মরনে কুরআনখানি ও খুনীদের বিচার দাবি করে বিক্ষোভ মিছিল করে মনপুরা ছাত্র শিবির।ইসলামী সমাবেশে ১ নং মনপুরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী’ সভাপতি হাফেজ মোঃ শাহীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা কাজী হারুন অর রশিদ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনপুরা উপজেলা শাখার আমীর হাফেজ মাওলানা রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ১ নং মনপুরা ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনপুরা উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর মাওলানা আমিমুল ইহসান জসিম, সেক্রেটারী মাওলানা নুরনবী শিবলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আলাউদ্দিন ফরাজী, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা সামসুদ্দিন।সমাবেশে বক্তারা ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর স্বৈরাচারী আওয়ামী সন্ত্রাসীদের লগি-বৈঠার হামলায় নির্মমভাবে নিহত শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। পাশাপাশি খুনীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচার দাবি করেন তারা।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আবু সুফিয়ান, হাজীর হাট ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হাফেজ মাওলানা জামাল উদ্দিন, দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ, উপজেলা জামায়াতের নির্বাচন বিভাগের সভাপতি মাওলানা ইউনুছ ও কলাতলী ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন প্রমূখ।সমাবেশ শেষে শহীদদের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, ১ নং মনপুরা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী’র সভাপতি হাফেজ মোঃ শাহীন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com