1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

মনসুর আহমেদ বিশেষ চিন্তা করতেন

ফজলে রাব্বী পরশ 
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৩২৮ বার পড়া হয়েছে
দ্য ডেইলি স্টারের প্রকাশক ও সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘বাঙালি মুসলিমদের নিয়ে আবুল মনসুর আহমেদ সবসময় বিশেষ চিন্তা করতেন। তিনি সবসময় একটি আদর্শিক জীবনযাপন করতেন।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আয়োজনে শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) ‘শতবর্ষে আবুল মনসুর আহমদের সাংবাদিকতার প্রাসঙ্গিকতা শীর্ষক আলোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিভাগের সভাপতি ড. মুসতাক আহমেদের সভাপতিত্বে এই সম্পাদক আরও বলেন, আবুল মনসুর আহমেদের উপস্থিত বুদ্ধি ছিলো অসাধারণ। তার রাজনৈতিক জীবন সূচনা হয়েছে ২১ দফা রচনা করার মাধ্যমে। আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার সাথেও তিনি জড়িত ছিলেন। আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর তার অন্যতম একটি বই। তার অন্যতম আরেকটি বই হলো আত্মকথা। এই ২টি বই আপনাদের পড়া উচিত।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আপনারা যারা সাংবাদিকতা করেন তাদের সবসময় একটি প্রশ্ন নিজেকে করা উচিত। সাংবাদিকতা আসলে কি? সাংবাদিকতা হলো মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং চিন্তার স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা যার নেই সে আসলে তার জীবনকে উপভোগ করতে পারছে না। আর সাংবাদিকরা তাদের এই স্বাধীনতাকে প্রতিমুহূর্তে প্রকাশ করতে পারে। স্বাধীনতা প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের উচিত অন্যজনকে হেয় না করে এবং মিথ্যাকে সত্য বানিয়ে না বলা। আপনাদের উচিত একটি তথ্যকে ভালোভাবে যাচাই করে প্রকাশ করা।
সর্বশেষ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি গর্বিত পেশা। আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে নিজেকে নিয়ে গর্বিত।’
এসময় সভার প্রধান অতিথি অর্থনীতিবিদ ও প্রাবন্ধিক সনৎ কুমার সাহা বলেন, আবুল মনসুর আহমেদ একজন আমার কাছে সাংবাদিক হিসেবে যতটুকু পরিচয় ছিলেন তার চেয়ে বেশি পরিচয় ছিলেন একজন লেখক হিসেবে। আবুল মনসুর আহমেদ তার বৈশিষ্ট্য ও নিজস্বতা তিনি বজায় রেখেছেন। তিনি যখন সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেছেন তখন কাজী নজরুল ইসলামও এই পেশায় প্রবেশ করেছিলেন। আবুল মনসুর আহমেদের জীবনী আমাদের সবার পড়া উচিত। তিনি একজন আদর্শ। তার সময়ে তিনি ছিলেন অতুলনীয় একজন সাংবাদিক।
আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক ও গবেষক ড. কাজল রশীদ শাহীন, আলোচনা রেখেছেন দৈনিক সমকাল পত্রিকার লেখক ও প্ল্যানিং এডিটর ফারুক ওয়াসিফ, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক তানভীর আহমদ এবং আবুল মনসুর আহমদ স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক ইমরান মাহফুজ।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com