1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মঙ্গলবার এসএসসি পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে ১৪টি নির্দেশনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অ*ভি*যা*নে ‌দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রে’ফ’তা’র কেন্দুয়ায় ব্রি ধান ৮৮ বীজে মিশ্রণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক: প্রতারণার অভিযোগ বীজ ব্যবসায়ির বিরুদ্ধে শতবর্ষের খাল দখলে বন্ধ পানিপ্রবাহ, জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে ঈশ্বরগঞ্জের নাগরিকবৃন্দ কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে একাডেমিক ভবন ও ছাত্রাবাসের উদ্বোধন তারাগঞ্জে জ্বালানি সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ; ফুয়েল কার্ডে মিলছে না কাঙ্খিত সেবা মহাখালীতে রাজউকের নকশা তোয়াক্কা না করেই বহুতল ভবন: জননিরাপত্তা চরম ঝুঁকিতে বগুড়া সিটি করপোরেশন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের ব্যর্থতায় দেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আইনের শাসনই শেষ কথা নয়, অপরাধ দমনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহী নগরের সবচেয়ে ব্যস্ততম আরডিএ মার্কেটে আগুন

আখিকুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে নগরের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা সাহেব বাজার। এর প্রাণকেন্দ্রেই অবস্থিত আরডিএ মার্কেটে সোমবার সন্ধ্যায় আগুন লাগে। প্রায় এক ঘণ্টা ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা আবু সামা জানান, নগরের এই মার্কেটের প্রবেশপথের পাশে এক নম্বর গদিঘরের দোতলার ওপরের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখানে দুটি রান্নার চুলা ছিল।
একটি খড়ির চুলা আরেকটি গ্যাসের চুলা। তাঁরা ধারণা করছেন গ্যাসের চুলা থেকেই আগুনের সূত্রপাত। গদিঘরের দোতলায় মালামাল রাখার গুদাম রয়েছে। গুদামের সব মালামাল পুড়ে গেছে। তাঁরা সন্ধ্যা সাতটা ৩৫ মিনিটে খবর পেয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে সামনের ভূগর্ভস্থ জলাধার থেকে পানি নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত সাড়ে আটটার মধ্যে তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।

মার্কেটে প্রায় আড়াই হাজার দোকান রয়েছে। সারা দিনে এখানে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম ঘটে। সন্ধ্যার সময় দিনের মতোই এই মার্কেটে জমজমাট কেনাবেচা হয়। এই সময়ে মার্কেটে আগুন লাগায় ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দেয়। মানুষ দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।

খবর পেয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন এক নম্বর গদিঘরের দোতলার রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুন যদি মূল মার্কেটের দিকে যেত তাহলে আর রক্ষা ছিল না। এ রকম একটা স্পর্শকাতর জায়গায় এই অরাজকতা চলতে দেওয়া যায় না। তাঁরা কয়েকবার সভা করে ব্যবসায়ীদের বলেছেন। তাঁরা আমলে নেন না। এখন দেখা যাচ্ছে, জনস্বার্থেই এই জায়গায় একটি পরিকল্পিত মার্কেট গড়ে তোলা উচিত। সেটা করতে পাঁচ বছর লাগলেও করা উচিত।

মার্কেট পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা সেকেন্দার আলী স্বীকার করেন, মার্কেটটি অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। মার্কেটের সামনের রাস্তাও প্রশস্ত নয়। তিনি বলেন, এটা একটা ঘিঞ্জি মার্কেট হয়ে গেছে। এটাকে আধুনিক ও নিরাপদ করে নতুনভাবে গড়ে তোলার কথা বলতে গেলেই সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভয় পান। তাঁরা মনে করেন, ভাঙলেই তাঁরা ‘পজেশন’ হারাবেন। তিনি বলেন, অনেক চেষ্টা করে গত বছর তাঁরা সামনের রাস্তায় রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে দিয়ে একটা ভূগর্ভস্থ জলাধার করে নিয়েছিলেন। তাতেই রক্ষা হলো।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com