1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

‎রামপালে মাছের ঘের দখল লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ এর অভিযোগ

‎শেখ মাসুম বিল্লাহ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৭২ বার পড়া হয়েছে
‎বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় মাছের ঘের দখল ও লুটপাটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রথমে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করার পর পরবর্তীতে তার কর্মচারীদের মারধর, পুনরায় মাছ লুটপাট এবং ঘেরের বাসায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এতে ঘেরের বাসাটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।
‎ঘটনার দিনই তিনি রামপাল থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের গিলাতলা এলাকার বাসিন্দা শেখ ইমরোজ দীর্ঘদিন ধরে নিজ মালিকানাধীন মাছের ঘেরে চাষাবাদ করে আসছেন। কিন্তু পূর্ব বিরোধের জেরে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি তার ঘের দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
‎অভিযোগে বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে শেখ রাজু,হাওলাদার ইকবাল হোসেন বাবু,সরদার হুরাই,সরদার নাইমসহ আরও অজ্ঞাতনামা কয়েকজন।
‎ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাতে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধভাবে তার মাছের ঘেরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা ঘেরের পাহারাদার কর্মচারীদের মারধর করে, বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত মাছ লুটপাট করে এবং ঘেরের বাসস্থানে অগ্নিসংযোগ করে। এতে প্রায় ৪০ কেজি চিংড়ি লুটপাট করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
‎এর আগে একই ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় ভুক্তভোগী রামপাল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। কিন্তু পুনরায় এ ধরনের ঘটনা ঘটায় তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
‎অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে এবং ঘের দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি।
‎ভুক্তভোগী তার সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
‎এ বিষয়ে রামপাল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com