1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাল থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা, অংশ নেবে সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৬৫ মাদারীপুরে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করলেন এমপি জাহান্দার জীবননগরে ঘুমন্ত অবস্থায় গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা প্রবাসী রাজনে বিরুদ্ধে মামলা খুলনা বিএনএসবি হাসপাতাল ( চক্ষু হাসপাতাল) ট্রাস্টি বোর্ডের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গৌরনদীতে ‘দারসুল কুরআন সুন্নাহ্ ফাউন্ডেশন’ আত্মপ্রকাশ: দ্বীনের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছানোর প্রত্যয় নেত্রকোনায় উৎসব মুখর পরিবেশে মেছুয়া বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন সোনালী ব্যাংক জিয়ানগর শাখা ম্যানেজার মশিউর রহমান গাজীর কৃতিত্ব অর্জন, সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান টেকনাফে বিশেষ অভিযানে ২২ আসামী গ্রেফতার জামালপুরে জামিন নিতে এসে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতিসহ আ’লীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে

লক্ষ্মীপুরে বাবা-ছেলেকে পিটিয়ে আহত

ওমর ফারুক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
লক্ষ্মীপুরে দাবীকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে শ্রীবাস চন্দ্র দাস (৪০) নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলা বশিকপুর ইউনিয়নের বারাইশপুর গ্রামে স্থানীয় গীতলাল দাস (৪৮) ও তার ভাগিনা সখা চন্দ্র দাস এ হামলা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।এসময় বাবাকে বাঁচতে গিয়ে ছেলে প্রান্ত দাসও (১৫) হামলার শিকার হয়। আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত শ্রীবাস চন্দ্র দাস একই গ্রামের চরুয়া বাড়ির   সুরেস চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি একজন মৎস্য ব্যবসায়ী অভিযুক্ত গীতলাল দাস (৪৮) একই বাড়ির সৌচিন্দ্র কুমার দাসের ছেলে এবং সখা চন্দ্র দাস (২৫) স্থানীয়  পরিমল চন্দ্র দাস ছেলে।
আহতের স্বজনরা জানান, রাত ৯টার দিকে বাজার থেকে শ্রীবাস চন্দ্র দাস বাড়ি যাচ্ছিলো। এসময় অন্ধকারে হঠাৎ করে গীতলাল দাস ও তার ভাগিনা সখা তার উপর হামলা চালায়।  তারা শ্রীবাসের মাথা পাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় ছেলে প্রান্ত দাস বাবাকে বাঁচতে গেলে তাকেও আহত করে হামলাকারীরা। পরে স্থানীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত শ্রীবাস চন্দ্র দাস বলেন, ২০২০ সালে স্থানীয় পিন্টু চন্দ্র দাস থেকে ৩ শতক জমি ক্রয় করেন তিনি। তবে পূর্ব থেকেই উক্ত জমি দখলের পায়তারা করেছিলো পিন্টুর চাচা বিপনন ও গীতলাল দাস। জমিটি শ্রীবাস ক্রয় করায় ক্ষিপ্ত হয় তারা। এনিয়ে প্রায়ই জমি ছেড়ে দিতে অন্যথায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিলো গীতলাল দাস ও তার ভাগিনা সখা। এতে দাবীকৃত টাকা না পেয়ে তারা অন্ধকারে একা পেয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন তিনি।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তার কমলা শীষ রায় আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাথায় রক্তাক্ত জখম নিয়ে শ্রীবাস নামে একজন ও তার ছেলে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসে। তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত গীতলাল দাস এর বক্তব্য জানা জায় নি। এ ব্যাপারে চেষ্টা করেও চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক এর বক্তব্য জানা সম্ভব হয় নি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com