লক্ষ্মীপুরে দাবীকৃত চাঁদার টাকা না পেয়ে শ্রীবাস চন্দ্র দাস (৪০) নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলা বশিকপুর ইউনিয়নের বারাইশপুর গ্রামে স্থানীয় গীতলাল দাস (৪৮) ও তার ভাগিনা সখা চন্দ্র দাস এ হামলা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।এসময় বাবাকে বাঁচতে গিয়ে ছেলে প্রান্ত দাসও (১৫) হামলার শিকার হয়। আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত শ্রীবাস চন্দ্র দাস একই গ্রামের চরুয়া বাড়ির সুরেস চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি একজন মৎস্য ব্যবসায়ী অভিযুক্ত গীতলাল দাস (৪৮) একই বাড়ির সৌচিন্দ্র কুমার দাসের ছেলে এবং সখা চন্দ্র দাস (২৫) স্থানীয় পরিমল চন্দ্র দাস ছেলে।
আহতের স্বজনরা জানান, রাত ৯টার দিকে বাজার থেকে শ্রীবাস চন্দ্র দাস বাড়ি যাচ্ছিলো। এসময় অন্ধকারে হঠাৎ করে গীতলাল দাস ও তার ভাগিনা সখা তার উপর হামলা চালায়। তারা শ্রীবাসের মাথা পাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এসময় ছেলে প্রান্ত দাস বাবাকে বাঁচতে গেলে তাকেও আহত করে হামলাকারীরা। পরে স্থানীরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত শ্রীবাস চন্দ্র দাস বলেন, ২০২০ সালে স্থানীয় পিন্টু চন্দ্র দাস থেকে ৩ শতক জমি ক্রয় করেন তিনি। তবে পূর্ব থেকেই উক্ত জমি দখলের পায়তারা করেছিলো পিন্টুর চাচা বিপনন ও গীতলাল দাস। জমিটি শ্রীবাস ক্রয় করায় ক্ষিপ্ত হয় তারা। এনিয়ে প্রায়ই জমি ছেড়ে দিতে অন্যথায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিলো গীতলাল দাস ও তার ভাগিনা সখা। এতে দাবীকৃত টাকা না পেয়ে তারা অন্ধকারে একা পেয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন তিনি।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তার কমলা শীষ রায় আহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মাথায় রক্তাক্ত জখম নিয়ে শ্রীবাস নামে একজন ও তার ছেলে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসে। তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত গীতলাল দাস এর বক্তব্য জানা জায় নি। এ ব্যাপারে চেষ্টা করেও চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এমদাদুল হক এর বক্তব্য জানা সম্ভব হয় নি।