৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চুক্তিভিত্তিক লাইনক্রুদের নিয়মিত করণের দাবীতে বিআরইবির চেয়ারম্যান কে ৩য় বারের মত স্মারক লিপি প্রদান।আলোকিত মানুষ ও পরিবারের ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিয়ে লাইনক্রুদের জীবন বিপন্ন।সেখানে আধুনিক সোনার বাংলার কারিগর,আলোকিত গ্রাম নগর গঠনের পিছনে যাদের অবদান তারা হলেন ৮০ টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে নিয়োজিত ৪০০০ লাইনক্রুগণ।
তাদের বিভর্ষ মৃত্যু অন্ধকার করে দেয় পরিবারকে।অথচ,তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে বেমানান বলেছেন লাইনক্রু লেভেল ১ সকল।স্মারকে বলা হয়,বিগত আগস্ট ২০২৩ এ চাকরী নিয়মিত করণের দাবীতে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণের দাবীতে বাংলাদেশ পল্লীবিদ্যুতায়ন বোর্ড বিআরইবির সামনে খিলক্ষেতে টানা ৭ দিন কর্মবিরতি ও শান্তিপূর্ণ অবস্হান কর্মসূচী পালন করেন লাইনক্রু সকল।স্মারকে প্রদত্ত সকলের সামনে ২০০ জন লাইনক্রু প্রতিনিধিদের যোগসাজস করে নিয়মিত করবে বলে বাধ্যগত সন্তানের ন্যায় লাইনক্রুরা পুণরায় কর্মস্হলে ফিরে আসে।কিন্তুু সুপারিশমালাতে তাদের যে দাবী তা নিতান্তই বোকামির দন্ডের অংশ।বিপন্ন জীবনে বেচে থাকা লাইনক্রুদের নিয়মিত করণ সময়ের দাবী বলে আখ্যায়িত করেন।এদিকে সামনে রমাদান,প্রচন্ড তাপদাহ ও ঝড়বৃষ্টির মৌসুমে লাইনক্রুদের হুশিয়ারীতে বিদ্যুৎ এর সরবরাহ বেগতিক হতে পারে বলেও ইঙ্গিত পাওয়া যায়।এরই মধ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও বিআরইবির কাছে প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দিয়েছে।সর্বোপরী,বিদ্যুৎ এর সরবরাহ বিঘ্ন ঘটতে পারে এর জন্য দায়ী থাকবে আরইবি এমতবস্তায়,জনজীবনে দূর্ভোগ নেমে আসা স্বাভাবিক।সরকার মহলের সবার কাছে স্মারকের অনুলিপি দিয়েছে লাইনক্ররা।
জনজীবনে বিচ্ছিন্ন ঘটনা সরকারের জন্য মোটেও শুভ নহে।সর্বদিক বিবেচনায়,এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত লাইনক্রুদের নিয়মিত করণ দেশ,জাতি,সমাজ ও পরিবারের জন্য ভালো হবে ।