1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিঠাপুকুরে উপজেলা নাগরিক ফোরামের ত্রৈমাসিক সভা ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের বিরুদ্ধে আবারও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নন্দীগ্রামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে ডিবির অভিযানে তিন নারী ১৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ভাঙ্গুড়ায় এমআর টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর ইটভাটার পুকুরে ভেসে উঠেছে কিশোরীর মরদেহ স্বাধীনতা পদক গ্রহণ করলেন হানিফ সংকেত মুঘল সম্রাট বাবরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর তুলনা করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেলে কার্ডে অনিয়ম ও ভুয়া সাংবাদিকতার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে জেলেদের মানববন্ধন সাতক্ষীরায় মোজাহেরের তেলের পাম্পে তীব্র জ্বালানি সংকট, ভোগান্তিতে বাস মালিক ও যাত্রীরা

শিকলবন্দী পরকিয়া প্রেমিক

বাদশা
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৬ মার্চ, ২০২৪
  • ২২১ বার পড়া হয়েছে

পরকিয়া প্রেমিকার আহ্বানে সাড়া দিয়ে গোপনে দেখা করতে এসে জনতার হাতে গনধোলাই অতঃপর শিকলবন্দি হয়েছে প্রেমিক। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে। গত ৫ মার্চ সোমবার উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোড়েলগঞ্জের ছোট পরী গ্রামের ইউনুস ফরাজীর ছেলে মুন্না ফরাজীর সাথে একই এলাকার কাদেরের মেয়ে কাকুলীর বাল্য কাল থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেম থেকে বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরে তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ ও হয়।

পরে কাকুলীকে তার অভিভাবকরা ইন্দুরকানী উপজেলার কলারণ এলাকার কবির জোমাদ্দারের সাথে পুনরায় বিয়ে দেয়।কবির জোমাদ্দার দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার সুযোগে কাকুলী কবিরকে ডিভোর্স দিয়ে আবারো মুন্নার সাথে বিয়ে বসে।

পরবর্তীতে কবির জোমাদ্দার বিদেশ থেকে এসে আবারো কাকুলীকে বিবাহ করে। সম্প্রতি উপজেলার বটতলা এলাকায় কাকুলী বেড়াতে আসে।

সোমবার গোপনে মুন্না ফরাজী কাকুলীর সাথে দেখা করতে এলে স্থানীয় জনতা তাকে ধরে ব্যাপক মারধর করে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে। ঘটনাটি জানাজানি হলে শিকল পরা অবস্থায় কবির জোমাদ্দার মুন্নাকে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় ইন্দুরকানী থানা পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। এ সময় ইন্দুরকানী থানার পুলিশ কবির জোমাদ্দার ও ফজলুল হক জোমাদ্দারকেও গ্রেফতার করে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com