1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি নেতা আহত, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ উর্দুভাষী বাংলাদেশিদের পুনর্বাসন নিয়ে ভাবছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলি কায়দায় ছাত্রদলের আদুভাইয়েরা হলের সিট দখল করছেন: ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক বাল্যবিবাহে না বলায় স্কুলছাত্রী তহমিনাকে জেলা প্রশাসকের ‘কন্যা সাহসিকতা’ সম্মাননা কেন্দুয়ায় জমির বিরোধে সংঘর্ষ :১ নারী নিহত ঢাকার প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন এনসিপি নেত্রী তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও বাতিল তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে ছুরিকাঘাত: নদীতে ঝাঁপ দিয়েও রক্ষা পেল না আসামী, নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যা: জমিজমা বিরোধের সূত্র, জিজ্ঞাসাবাদে ৫ জন

শিবগঞ্জে রাস্তা পাঁকাকরণে অনিয়মের অভিযোগ

হাফিজুর রহমান
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ১৮২ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে আঞ্চলিক রাস্তা পাঁকাকরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের নামোটিকোরী জামে মসজিদ থেকে গোঁয়াবাড়ি চাঁদপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা কাঁচা থেকে পাঁকাকরণ (কার্পেটিং)’র কাজ শুরু হয়েছে। চলমান কাজে অনিয়মের অভিযোগ এনে স্থানীয়রা কাজে বাধা দেয়। এই রাস্তার কাজটি করছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মুক্তার আলী। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, নামোটিকোরী থেকে গোঁয়াবাড়ি চাঁদপুর পর্যন্ত রাস্তা কার্পেটিংয়ের কাজ শুরু হওয়ায় আমরা অত্যন্ত খুশি। এতে আমাদের যাতায়াতের অনেক সুবিধা হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ফসলী জমি থেকে সফল সহজে ঘরে তোলা যাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় রাস্তা কাজ শুরু হতে না হতে অনিয়ম করতে লেগেছে। এই রাস্তা বেশিদিন টিকবে না। তাই এলাকার স্বার্থে আমরা এলাকাবাসি বাধা দিয়েছি যেনো সঠিক নিয়ম মেনে সব কাজ ঠিকভাবে করে।

সরমজিনে দেখা গেছে, রাস্তা নির্মানের অন্যতম উপকরণ ভরাট বালির স্থানে ব্যবহার করা হচ্ছে মাটি। যা কার্পেটিং রাস্তার জন্য ক্ষতিকর। আর মাটি দিয়ে ভরাট করলে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান বেশি লাভবান হবে বলেও জানান স্থানীয়রা।
এদিকে, স্থানীয় মো. সদরুল ইসলাম, কবিরুল ইসলাম, তৌফিক, আজিজুল ইসলাম, মাসুদ রানা, জামাল, সাইফুল ইসলাম, সাহেব আলী, বাদল, আব্দুল হাকিম, মনিমুল হক ও সফিকুল ইসলামসহ আরো অনেকে বলেন, রাস্তার মানুষের জীবনের জন্য অপরিহার্য, রাস্তা ছাড়া কেউ চলাচল করতে পারবে না। আমাদের এই নামোটিকোরী থেকে গে^ায়াবাড়ি চাঁদপুর পর্যন্ত যে রাস্তাটি হচ্ছে তা দীর্য়দিন পর পেয়েছি। আগে মানুষ কাঁদার জন্য পায়ে হেটে চলতে পারতো না। আমার এই রাস্তাটি পাঁকা করা হচ্ছে আজ। শুধু পাঁকা করলেই হবে না, তা কতদিন স্থায়ী হবে সেটাও দেখতে হবে। কিন্তু আমাদের চোখের সামনে যে অনিয়ম দেখছি তাতে রাস্তাটি নামেই শুধু কার্পেটিং হবে। হয়তো নতুন রাস্তা কিছুদিন নতুন হয়ে থাকবে। আর কিছুদিন বাদে রাস্তা উচুনীচু এবং পিচ-পাথর উঠে আগের মতোই হযে যাবে।
স্থানীয়রা আরো বলেন, রাস্তার কাজ শুরু হতে না হতেই অনিয়ম শুরু হয়েছে। রাস্তাটি প্রবেশদ্বারে দু’পাশ কমিয়ে দিয়েছে। আর ভরাট হিসেবে ব্যবহার করছে এক তৃতীয়াংশ মাটি-বালি। কাজের শুরুতেই যখন অনিয়ম, তখন কাজ পুরো করতে কত না অনিয়ম হকে কে জানে?। তাই আমাদের রাস্তাটি সঠিক নিয়মে যেনো হয় সে জন্য আমার এলাকাবাসি বাধা দিয়েছি। যতক্ষণ এর সমাধান না হতে ততক্ষণ কোন কাজ করতে দেবো না আমরা।
এব্যাপারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক মো. মুক্তার আলী জানান, আমার এই কাজটি ২০১৮ সালের বরাদ্দ। কোন কারণে আমরা কাজটি সময় মতো করতে পারিনি। আমরা কখনো চাইবো যে রাস্তার কাজ অনিয়ম হোক। আমরা সঠিকভাবে, সঠিক নিয়ম মেনে কাজ করছি। আর যে ভরাটের জন্য এলাকাবাসি বাধা দিয়েছে তা ভুল করে ২/৩ গাড়ি চলে এসেছে। আমরা তা ফেরত পাঠাচ্ছি।
এদিকে, শিবগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি’র উপজেলা প্রকৌশলী মো. ছাবের আলী জানান, আমি ৫দিন থেকে ট্রেনিংয়ে আছি। নামোটিকোরী থেকে গোঁয়াবাড়ি চাঁদপুর পর্যন্ত রাস্তা কার্পেটিংয়ের কাজ চলছে। তবে, কাজে অনিয়ম হচ্ছে তা আমার জানা নাই। এই রাস্তাটি উচুনীচু হওয়ার জন্য কোন কোন স্থানে মাটি ভরাট করার পর নিয়মানুযায়ী ভরাট বালি দিতে হতে। এছাড়া নিয়মানুযায়ী ভরাট বালি ব্যবহার করতে হবে। যদি রাস্তায় সম্পূর্ণ মাটি ব্যবহার করে তাহলে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দিন। পরবর্তী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কোন কাজ হবে না। রাস্তার কাজের ব্যাপারে আমি চুল পরিমাণ ছাড় দেবো না।
এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com