1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুফতি আমীর হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ, দেশের গ্যাস সরবরাহে বড় ঘাটতি আমি এই মন্ত্রী, এই মন্ত্রণালয়ে যে দুর্নীতি করবে, ২৪ ঘণ্টা থাকতে পারবে না: শিক্ষামন্ত্রী ধামইরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন সাতক্ষীরার কলারোয়ার পুত্রবধূ তুলি বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সমাবেশ অনুষ্ঠিত পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘণ্টায় ২৭ আসামি গ্রেফতার মাদারীপুর শিবচরে তেলবাহী ট্রাক ডাকাতি মামলায় দুইজন গ্রেফতার জ্বালানি পেতে সেচ পাম্প নিয়ে ফিলিং স্টেশনে কৃষকের ভিড় মাদারীপুরে বেকারিকে নিরাপদ খাদ্য আইনে এক লাখ টাকা জরিমানা

সরকারি হাসপাতালে ডাক্তার-কর্মচারী লাঞ্চিত

মেহেদী হাসান শিপলু
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৪৯৮ বার পড়া হয়েছে

যশোরের চৌগাছা হাসপাতালে ডাক্তার-নার্স লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদে হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরা মানববন্ধন ও কর্মবিরতি পালন করেছে। মঙ্গলবার সকালে চৌগাছা-যশোর সড়ক সংলগ্ন হাসপাতালের সামনে এই মানববন্ধন ও কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত হয়।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার পৌরসভার বিশ্বাস পাড়ার এখতিয়ারের তিন বছরের শিশুকন্যা ইসরাত জাহানের নাকের ভিতর কুলের বিচি ঢুকে যায়। পরিবারের লোকজন বুঝতে পেরে এ দিন রাতে চিকিৎসার জন্য শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরী বিভাগে স্বে”ছাসেবী এক কর্মচারী নাক থেকে কুলের বিচি বের করার চেষ্টা করেন। একপর্যায় নাক দিয়ে রক্তক্ষরণ হলে শিশুটি
কান্নাকাটি শুরু করে। রক্তক্ষরণকে কেন্দ্র করে জরুরী বিভাগে উপস্থিত উপ-স্বাস্থ্য সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ডাঃ আশরাফুন্নাহার ও জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত ডাঃ সোহাগ হোসেনের সাথে কথাকাটাকাটি হয়।

একপর্যায় শিশুটির পিতা তাদের উপর চড়াও হওয়ার পাশাপাশি দু’চিকিৎসককে ধাক্কা দিয়ে লাঞ্চিত করেন। এ ঘটনায় ফাহিম নামের এক কর্মচারী প্রতিবাদ করলে তাকেও লাঞ্চিত করা হয়। এ ঘটনায় ডাঃ সোহাগ হোসেন এখতিয়ারের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করেন। মামলা নং-২৭। মামলার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে বিশ্বাসপাড়া থেকে থানা পুলিশ এখতিয়ারকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে। হাসপাতালে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালের পক্ষ থেকে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জরুরী চিকিৎসাসেবা ছাড়া হাসপাতালের সকল কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

কর্মবিরতির ফলে বেশকিছু রোগী ভোগান্তির শিকার হন বলে আগত রোগীরা জানান।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ লুৎফুন্নাহার লাকী, ডাঃ সুরাইয়া ইয়াসমিন, ডাঃ ইয়াসির আরাফাত, ডাঃ আকিব হাসান, ডাঃ সোহাগ, ডাঃ লুৎফুন নেছা লতা, ডাঃ সঞ্চিতাসহ কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীবৃন্দ। বেলা ১১ টায় মানববন্ধনের বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনা¯’লে হাজির হন যশোরেরসিভিল সার্জন ডাঃ বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস। এ সময় তিনি সকলকে শান্ত থাকার অনুরোধ করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস প্রদান করলে মানববন্ধন ও কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়। এ ব্যাপারে হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ লুৎফুন্নাহারলাকী জানান, সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি সত্যি দুঃখজনক। বিষয়টি হাসপাতালের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে জানিয়েছি। তারা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন। কতৃপক্ষের নির্দেশে মামলা করা হয়েছে। থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, ঘটনাটি জানার পরপরই আমরা হামলাকারীকে আটক করতে পারতাম। তারপরও শিশুটির চিকিৎসা ও মানবিকতার কারনে সোমবার রাতে আটক করা হয়নি। মঙ্গলবার মামলা হবার পর এখতিয়ারকে গেস্খফতার পূর্বক আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com