আমি এক অতি নগণ্য মানুষ পৃথিবীর এক কোণে বসে আমি আমার জগৎ ও জীবনের বাস্তব তিক্ত অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতে চলছি অব্যক্ত ব্যন্জনার উত্তাল তরঙ্গ থেকে,
এই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরো এক প্রান্ত প্রজন্ত ঘুরে এলাম””আর জীবন কে দেখলাম জম্ম থেকে অধ্যবদি উল্টেপাল্টে কোথাও!
অ-কৃতিম ভালোবাসা পেলাম না, হায়..রে-জীবন, হায়..রে মরণ কেণোই বা জীবন,কেণোই বা মরণ!!
এই পৃথিবীতে টাকা পয়সা বাড়ী-গাড়ী-নারী সম্মান-যস্-ক্ষেতি, দিবা কিংবা রাএি আলো কিংবা অন্ধকার আর অনন্ত অজস্র খাদ্যের সমাহার আর বেঁচে থাকার জন্য যাহা কিছু প্রয়োজন সবই আছে!
সব-কিছু পাওয়ার পর ও কি যেনো পেলাম না, কি যে শুণ্য রয়ে গেলো…সেই আখ্যায়িত আঙ্খাকা থেকে
অ-কৃতিম ভালোবাসা’র সন্ধানে-এই পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্ত প্রজন্ম ঘুরে এলাম-আর জীবন কে দেখলাম জম্ম থেকে অধ্যবদি উল্টে-পাল্টে, হায়…অন্ধ ধূলি-ধূসরিত পৃথিবী তুমি অ-কৃতিম ভালোবাসা’র ব্যর্থতার প্রকাশ ভূমি!
সামান্য একটু অ-কৃতিম ভালোবাসা’র সন্ধানে এই পৃথিবীর প্রত্যেক টি অলি-প্রত্যেক টি-গুলি প্রত্যেক টি কোণায়-কোণায় প্রত্যেক টি দোয়ারে দোয়ারে আজোবদি আমি বিরাম হীন।
আমি বড় ক্লান্ত আমি বড় পিপাসাত্ব তবুও আমি হইনি যে ক্ষান্ত ! হায় অন্ধ ধূলি ধূসরিত পৃথিবী-স্বার্থেপর বন্ধু-মহল আর- গুণে-ধরা সমাজ-মহল তোমরাও কৌশলে ব্যর্থতা প্রকাশ করিয়ে দিলে! ধিক্কার জানাই লক্ষ-কোটি বছরের তিলে-তিলে গড়া সভ্যতার অন্তরালে এই
অ-সভ্যতার পাজর !
অ-কৃতিম ভালোবাসা’র সন্ধানে আজ আমি নিরবার্ক নিস্তব্ধ অসহায় জীবন্ত-লাশ হয়ে ভূ-খণ্ডে দাঁড়িয়ে-রয়েছি!!! হায় রে… জীবন হায়.. রে…মরন….! কেনোই বা “জীবন” কেনোই বা মরণ!!!
কেণো এতো লোভ- হিংসা ক্রোধ-জিজ্ঞেসা? কেনো এতো প্রেমো-আনন্দ ভালো-লাগা ভালোবাসা আনন্দে আত্তহারা!! কেণো এতো আনন্দ উল্লাস আর ব্যর্থতার গ্লানি!! কেণো এতো সম্পদের ভাগা-ভাগি, কেনো এতো ক্ষমতার-লড়াই!!! কেণো এতো জয় এর উল্লাস আর পরাজয় এর হাহাকার!!! কেনো এতো ঘুম খুন আর বিচারবর্হিভূত হত্যা কান্ড়ঁ!কেনো এতো মিলন আর বিরহের হা হা কার!!! কেনো এতো সম্পদের অহংকার-এর-পাজর-আর-দারিদ্র হাহাকার, ক্ষুর্দার্থের আত্ননার্থ!!!
আবার স্বজন হারানোর মরর্মান্তিক ব্যথা বেদনা বুকে পাথর চাঁপা দিয়ে মানুষের মাঝে হাঁসি-খুঁশি হেঁসে কথা বলা!!! একি বৈচিত্রময় পৃথিবীর নির্মম খেলা-নয়…পরর্বতী-প্রজন্মের জন্য ক্ষণস্থায়ী গ্রহের নতুন (ইতিহাস)