খুলনার কয়রা উপজেলা উ: বেদকাশী ইউনিয়নে কৃষি জমিতে জৈব সারের ব্যবহার কয়েকগুণ বেড়েছে। তরমুজ ও সবজি সহ বিভিন্ন কৃষি কাজে বেশিরভাগ কৃষকরা মাটির উর্বরতা শক্তি বাড়াতে ব্যবহার করছে জৈব সার। কেনা জৈব সারের তুলনায় এলাকার উৎপাদিত ভার্মি কম্পোস্ট এর গুণগত মান হওয়ায়। এলাকায় এর প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এ কারণে কৃষি অফিস ও প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন নবপল্লব প্রজেক্ট এর সহযোগিতায় তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন উদ্দোক্তা। উদ্দোক্তাদের মধ্যে দু জন সুজিতা রানী মন্ডল ও স্বপ্নারায় পারিবারিক ভাবে ভার্মি সার উৎপাদন করছে পূর্নিমা রানী,নাজমা খাতুন, রাশিদা খাতুন, সরবানু বেগম,রেহানা পারভীন, নবিছা খাতুন বিশাখা রানী,সরমিস্ঠা দেবি,ও নাজমা বেগম, বায়োগ্যাস প্ল্যান ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করছে।এবং পারিবারিক ভাবে ভার্মি কম্পোস্ট সার
উৎপাদন করে নিজেদের কৃষি কাজ ও সবজি চাষে ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহার করে বাড়তি আয় করছেন। তাদের কে অনুসরণ করে অনেকেই আগ্রহী হয়েছেন ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনের জন্য। চাহিদার সাথে জৈব সারের উৎপাদন বাড়লে কৃষি জমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার তুলনামূলক অনেক কমে আসবে বলে মনে করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কৃষি প্রধান অত্র এলাকায় এক সময় কৃষকরা কৃষি ফসল উৎপাদনের জন্য জৈব সার ছাড়া কিছুই বুঝতো না। যেকোনো ফসল উৎপাদনে ব্যবহার করতো জৈব সার। বিগত দুই থেকে তিন দশকে কৃষি কাজে জৈব সারের ব্যবহার একেবারেই কমে যায়। যে জৈব সার মাটির প্রাণ, তা ব্যবহার করতে কৃষকরা যেন ভুলে যায়। ব্যবহার বাড়ে রাসায়নিক সারের। বছরের পর বছর অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহার করার ফলে মাটির গুনাগুন নষ্ট হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ও এনজিও বিভিন্ন ধরনের মিটিং ও প্রশিক্ষণ প্রদান এর মাধ্যমে জৈব সার ব্যবহার অনেক বাড়ছে ।জৈব সারের ব্যবহার করে এখন ফসল বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাতে এলাকা বাসী অনেক খুশি।
এমন ধরনের উদ্যোগ দিকে অনেকই এখন ভার্মি সার উৎপাদন করছে।
মন্তব্য : এমন ধরনের উদ্যোক কৃষি খাতে বড় সফলতা নিয়ে আসবে বলে মনে করে এলাকা বাসি।উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পক্ষে থেকে কৃষি অফিস ও নবপল্লব প্রজেক্ট প্রাকটিক্যাল এ্যাকশন কে ধন্যবাদ জানান।