1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতন, কাটা হলো চুল দলের হারের পর শুনলেন ‘বাবাও নেই’ গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার বিএনপি নেতার ‘ত্রাস’: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল, নিয়োগ বাণিজ্য ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মহোৎসব! গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর ওসিকে প্রত্যাহার ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর না খুললে জনগণই সেটা খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম ‘নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না’: জামায়াতে আমির যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

যুবদল নেতার চেম্বারে চার যুবককে নির্যাতন, কাটা হলো চুল

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে চোর সন্দেহে চার যুবককে ধরে মারধর ও মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে রাজশাহী নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিমানচত্বর এলাকার একটি চেম্বারে চার যুবককে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পরে তাদের শাহ মখদুম থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিমানচত্বর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে সিগারেট ও কিছু টাকা চুরির অভিযোগে আব্দুস সামাদ, দেবসহ চার যুবককে আটক করা হয়। পরে তাদের মহানগর যুবদলের সদস্য ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী শাকিলুর রহমান রনের চেম্বারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজন যুবক তাদের মারধর করেন এবং মাথার চুল কেটে দেন। ঘটনাটি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে কথা বলতে শাকিলুর রহমান রনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ১৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্যসচিব মো. বেলাল বলেন, যাদের মারধর করা হয়েছে, তারা এলাকায় চুরির অভিযোগে পরিচিত। তবে কাউকে এভাবে মারধর ও চুল কেটে দেওয়া ঠিক হয়নি।

শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা চার জনকে থানায় সোপর্দ করেন। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং বুধবার (১ জুলাই) তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কাউকে মারধর করা অপরাধ। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, অপরাধের অভিযোগ থাকলে তার বিচার করার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আদালতের। অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে মারধর, অপদস্থ বা শাস্তি দেওয়ার অধিকার কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের নেই। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার এমন প্রবণতা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্ম দিতে পারে বলেও মত দিয়েছেন তারা।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com