খুলনার কয়রা উপজেলার ২ নং বাগালি ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার ও মানহানিকর তথ্য ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এই তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য মো. আজিজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সম্প্রতি একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘সরকারি ইট বিক্রি’ সংক্রান্ত একটি ভিত্তিহীন ও বানোয়াট খবর প্রচার করে তার দীর্ঘদিনের অর্জিত সামাজিক মর্যাদা ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনপ্রিয়তায় আঘাত হেনেছে। তিনি দাবি করেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
চাঁদাবাজ চক্রের সক্রিয়তা নিয়ে উদ্বেগ
লিখিত বক্তব্যে আজিজুল ইসলাম আরও জানান, ‘তথ্য সেল কয়রা সাংবাদিক ফোরাম’ নামক একটি ফেসবুক গ্রুপ ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলে অবৈধ অর্থ আদায় ও চাঁদাবাজি করে আসছে। এই চক্রটির অত্যাচারে এলাকার সাধারণ মানুষ বর্তমানে অতিষ্ঠ। ইউপি সদস্য সরাসরি অভিযোগ করেন, এই অপপ্রচার ও চাঁদাবাজি চক্রের মূল নেতৃত্বে রয়েছেন তারিক লিটু নামে এক ব্যক্তি। যিনি নিজেকে সাংবাদিক ফোরাম কয়রার একটি ভুঁইফোড় সংগঠনের সভাপতি বলে পরিচয় দিয়ে থাকেন। আজিজুল ইসলামের ভাষ্যমতে, তারিক লিটু একজন চিহ্নিত প্রতারক, যার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও একাধিক লিখিত অভিযোগ রয়েছে। মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল ও চাঁদাবাজিতে ব্যর্থ হয়েই এই চক্রটি জনপ্রতিনিধিদের টার্গেট করে অপপ্রচার চালাচ্ছে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে আজিজুল ইসলাম বলেন: “মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে যারা আমার সম্মানহানি করেছে এবং যারা সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি করছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। নতুবা এই অপপ্রচারকারীরা সমাজের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।”সংবাদ সম্মেলনে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।