1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গরু জবাই নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে দাঁড়াল থালাপতির সরকার বিএনপি নেতার ‘ত্রাস’: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দখল, নিয়োগ বাণিজ্য ও বালুমহাল নিয়ন্ত্রণের মহোৎসব! গণভোট না মানার কারণে রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান ১৬০ কেজি গাঁজা জব্দ করে বিক্রির অভিযোগ ওঠার পর ওসিকে প্রত্যাহার ৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর না খুললে জনগণই সেটা খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম ‘নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না’: জামায়াতে আমির যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ

কেশবপুরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশে হামলা, আসামি ছিনতাই

মোঃ জুম্মান হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে
যশোরের কেশবপুরে সাজাপ্রাপ্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে পুলিশ। স্থানীয় একটি মসজিদের মাইকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে জনতা জড়ো করে পুলিশের ওপর এই হামলা চালানো হয়। এতে এক উপপরিদর্শকসহ (এসআই) তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। হামলার মুখে পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যায় ওই আসামি। তবে ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের হিজলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন— এসআই আসমত আলী (৫৪), কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম (৩৫) ও কনস্টেবল হাবিবুল্লাহ (৩০)। এদের মধ্যে কনস্টেবল শহিদুল ইসলামকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করতে বুধবার রাতে হিজলডাঙ্গা গ্রামে অভিযানে যায় কেশবপুর থানা পুলিশ। পুলিশ তাকে আটক করার পরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় একটি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় যে, ‘পুলিশ আসামি মেরে ফেলেছে’।
এই মিথ্যা ঘোষণার পর মুহূর্তের মধ্যে ৫০-৬০ জন লোক লাঠিসোটা নিয়ে জড়ো হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এক পর্যায়ে তারা জাহাঙ্গীরকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
আহত কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম জানান, “আটকের পর জাহাঙ্গীর নিজে তার মাথা দিয়ে পুলিশের বুকে সজোরে আঘাত করে। ঠিক ওই সময় মাইকিং শুনে জড়ো হওয়া লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।”
কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর পর পলাতক আসামিকে ধরতে সাঁড়াশি অভিযানে নামে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সীমান্ত এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর আলমকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় তারা।
পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান এই কর্মকর্তা। এ বিষয়ে থানায় পৃথক একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com