1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুরের ৭ গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত নেত্রকোনায় পাচারের সময় ভিজিএফের চাল জব্দ সীমান্ত যুব উন্নয়ন সংঘ (SZUS) পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরন নাগেশ্বরীতে ভুয়া সাংবাদিক গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন কুরআনের শাসন ব্যতীত জনগনের ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়- এড. আব্দুল আওয়াল জামালপুরে সূর্য তোরণ সমাজ সেবা সংস্থা’র পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কাঠালিয়ায় প্রেসক্লাবের আয়োজনে অসহায়দের মাঝে শিল্পপতি আরিফ হোসেনের ঈদ উপহার বিতরণ পটুয়াখালী ২২ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ করছেন ঈদুল ফিতর আসন্ন ঈদ উপলক্ষে খাদ্য-সামগ্রী বিতরণ করল ফ্রেন্ডস ফাউন্ডেশন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসকের প্রতিবন্ধীদেরকে ঈদ সামগ্রী প্রদান

খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদূদ ভুঁইয়ার প্রতিপক্ষ নিজ দলের কিছু সুবিধাবাদী

মো: ইসমাইল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫
  • ২১ বার পড়া হয়েছে
২৫ বছর বয়স থেকে প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলতে জ্বলতে আজকের ওয়াদুদ ভুঁইয়া। তিনি যখন কমবয়সে এমপি ইলেকশন করেন তখন এ খাগড়াছড়িতে অনেক মুরব্বি ছিলেন। সবাই তাঁকে প্রতিপক্ষ হিসেবে নিলেন। আপনজন ও একজন শিক্ষানবীশ রাজনীতিক হিসেবে তাকে কেউ মেনে নিতে পারেননি। রাজনীতি করা তারও যে অধিকার সেটা বেমালুম ভুলে গেলেন। তাকে নানা সময়ে বাঙালিপন্থী সাম্প্রদায়িক নেতা হিসেবে আখ্যায়িত করা হতো। তার জনপ্রিয়তা বিভক্ত  করার জন্য আদি বাঙালি নামে নতুন এক সম্প্রদায়েরও আবির্ভাব হয়েছিলো। জনশ্রুতি আছে যে,  সন্তু লারমার সহযোগিতায়  এ সম্প্রদায় এসব বিভক্তি রেখা টানতো। প্রতিটি নির্বাচনে তাকে হারানো হতো, আবার তিনি অল্প ভোটে হেরে যেতেন।
তিনি হেরে যেতেন ষড়যন্ত্রের বেড়াজালে পড়ে। একদিকে বাঙালিদের মধ্যে হিন্দু, বড়ুয়া, মুসলিম বিভাজন এবং বাঙালিদের বহু প্রার্থীতা ভিতরের পার্টির টাকা খেয়ে। আবার পাহাড়িদের একচেটিয়া ভোট নৌকায়।। এভাবে নানামুখী ষড়যন্ত্র ও ইকুয়েশন করা হতো। সবার একটাই উদ্দেশ্য, মুখ পোড়া সাহসী ঐ অদুদ ঠেকাও। ঠেকাতে ঠেকাতে উনি অতিষ্ঠ। উনিওতো মানুষ। আর কত! তিনিও জবাব দিতে লাগলেন। স্বাভাবিকভাবে ষড়যন্ত্রতারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠলো।
উনিও কম যান না। সবার সাথে ঐক্যের চেষ্টা করে গেছেন আবার যারা এ পাহাড়, সেনাবাহিনী ও দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র করতেন তাদের সাথে হার্ড লাইনেও গেছেন। কারন, তিনি নিরুপায়।। কেউ তাকে মেনে নিতে পারে না। অনেকের হয়তো ব্যথা, এতবছর পাহাড়ে থেকেও এত জনপ্রিয় হতে না পারা। আর এই ডেগা পোয়া এত জনপ্রিয়! ন অইবো, তারে ঠেকা।
 এভাবে জ্বলতে জ্বলতে উনি অঙ্গার। তাই উনিও সহ্য করতে না পেরে মুখেরও লাগাম টেনে ধরতে পারেন না। মুখটাই তার কাল। এত প্রতিকূলতার মাঝেও প্রবল জনপ্রিয়তা অর্জন চাট্টিখানি কথা না। কিন্তু কিছু মানুষ বার বার তাকেই প্রতিপক্ষ বানাতে চায়। এ জন্য আবার তিনি মুখে কথা বলে ফেলেন। কিছু মানুষ এটাকে তার দূর্বলতা হিসেবে বাজারে ব্যবসা করতে চায়। আমি মনে করি, তারাও জানে যে, কিভাবে রাজনীতি করতে হয় তা মি. অদুদ জানেন। তারপরও টাকার লোভে ফেইক আইডি খুলে, বা নানামুখী রংঢং কথা বলে ওনাকে  রাজনৈতিক মাঠে ফেলে দিতে চায়। মানে ভোটের রাজনীতিতে ফেল করাতে। এখানেই আমার দুটি কথা:
১. উনি হারতে হারতে প্রতিকূল পরিবেশ এমপি হয়ে
     উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান হয়েছেন।
২. ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে করতে সেই ছোট্ট বেলার
     ঝাঁকড়া চুলের অদুদ জানু খেলোয়াড় হয়েছেন।
সুতরাং, দূর্বলচিত্তের লোকদের ফাঁদে পা দিয়ে নব্য বা পুরান কারও কথা শুনে ওনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করলে কাজ হবে না। এখন পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়ের কাছে উনিই সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। যারা ওনার প্রবল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তারা মনমালিন্য বা রাজনৈতিক রেষারেষির কারনে ষড়যন্ত্র বা সমালোচনা করতে পারেন ওনার। কিন্তু বিগত ১৬ বছর ধরে ওনার দল ও নেতা কর্মীদের সাথে করা ব্যবহারের জন্য তাঁরাও আসলে নিশ্চয়ই আজ দূরে বা কাছে থেকেও অনুতপ্ত। কিন্তু কিছু নব্য কিছু রাজনীতিক হঠাৎ হাটতে শিখার পরপরই  দৌড়ানো শিখার আগেই ল্যাং মারামারি করার জন্য হুদাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। তবে তা সুন্দর দেখায় না। মি. অদুদের কথাবার্তা আপনার পছন্দ না হতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষ না ভেবে একজন  রাজনীতিক হিসেবে কিভাবে তিনি পাহাড়ি বাঙালি নানা ইস্যু মোকাবিলা করে টিকে আছেন সেটা থেকে হলেও একটু শেখার বা কৌশল জানার চেষ্টা করুন। আমি বলছি, ওনারতো অবশ্যই ভালো দিক আছে। অন্ততঃ ভালো দিকওতো আমরা আগামী পথ চলার অনুপ্রেরণা হিসেবে নিতে পারি। শুধু টেনেটুনে দল চালিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গরমাগরম বক্তব্য দিলেই কী ৪৫ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে মি. অদুদ এর?
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com