1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক যশোরের কেশবপুরের দাখিল মাদ্রাসার সুপার চূড়ান্ত বরখাস্ত ‘ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে’ ৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড জুলাই শহীদদের ব্যাঙ্গ করে চাকরি খোয়ালেন সেই জিনাত জোয়ারদার

গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই বিপ্লবীদের রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার গেজেট প্রকাশ

কে. এম. নূহ্ পারভেজ ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৪ বার পড়া হয়েছে
রক্তস্নাত জুলাইয়ের বীর সন্তানদের লড়াইকে আইনি স্বীকৃতি দিয়ে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্র। ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ছাত্র-জনতার যে সর্বাত্মক অভ্যুত্থান দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন করেছিল, সেই বিপ্লবে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা এবং দায় নির্ধারণে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে এই গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। অধ্যাদেশের ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হবে। ভবিষ্যতে কোনো দেশপ্রেমিক যোদ্ধার বিরুদ্ধে বিপ্লব সংশ্লিষ্ট কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না। সরকারের প্রত্যয়ন সাপেক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটররা এই মামলাগুলো আদালত থেকে নিঃশর্তভাবে তুলে নেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। বিপ্লব মানেই প্রতিরোধ, কোনো অপরাধ নয় গেজেটে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ ও ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন’ শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশিত নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য বিপ্লবীদের গৃহীত সকল পদক্ষেপ সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনি সুরক্ষা পাবে। অর্থাৎ, আত্মরক্ষার তাগিদে বা জনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিপ্লবীদের সাহসিকতা কোনোভাবেই ‘অপরাধ’ হিসেবে গণ্য হবে না। অধ্যাদেশটিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মাধ্যমে বিশেষ তদন্তের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন অভিযোগ থাকে, তবে কমিশন তা তদন্ত করবে। যদি প্রমাণিত হয় যে উক্ত ঘটনা ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ ছিল, তবে সংশ্লিষ্ট যোদ্ধার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। বরং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকার কর্তৃক ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারবে কমিশন। এই সুরক্ষাকবচ শুধুমাত্র সত্যিকারের বিপ্লবীদের জন্য, কোনো অপরাধমূলক অপব্যবহারের জন্য নয়। এই অধ্যাদেশ কেবল একটি আইনি নথি নয়, বরং জুলাইয়ের শহীদদের রক্ত আর বিপ্লবীদের ঘামের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে স্পষ্ট করে দেওয়া হলো ফ্যাসিবাদ হঠানোর লড়াই কোনো বিশৃঙ্খলা নয়, বরং এটি ছিল একটি জাতির অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। কোনো বিপ্লবীকে আর হয়রানির সম্মুখিন হতে হবে না। রাজপথের বীরেরা আজ আইনিভাবেই বিজয়ী।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com