1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোমনি জুট স্পিনার মিল চালু ও সকল পাওনা পরিশোধের দাবিতে শ্রমিক জনসভা ‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি সৌদি আরবে পৌঁছেছে প্রথম হজ ফ্লাইট কুরুচিপূর্ণ শব্দের ব‍্যবহার ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান এবি পার্টির আঠারবাড়ী মহাশ্মশানে শ্মশান কালী পূজা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত সাতক্ষীরায় যুবকের দ্বিতীয় বিয়ে, গ্রামবাসীর হস্তক্ষেপে সমাধান ১৭ই এপ্রিল পীরগঞ্জে গনহত্যা দিবস অনুষ্ঠিত ছাত্রকে বলাৎকারের মামলায় মসজিদের ইমাম গ্রেপ্তার ডি এম আবু হানিফ স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল খাগড়াছড়িতে ছাত্র পরিষদের সদস্য নীতিশ চাকমা’র আত্মবলিদানের ৩৩ বছর আজ

‘চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না’: রনি

Desk report
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে চাঁদাবাজ ধরা তো দূরের কথা, তাদের পশমও ছিঁড়তে পারবেন না।’

সম্প্রতি তিনতন্ত্রের ফেসবুক পেজে এক ভিডিওতে তিনি এ কথা বলেন। গোলাম মাওলা রনি বলেন, ‘আপানারা জানেন যে সরকার চাঁদাবাজির ব্যাপারে সতর্ক অবস্থানে আছে। ইতিমধ্যে নাকি সারা দেশে সাড়ে চার হাজার শীর্ষ চাঁদাবাজকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তাদের খুব দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। তারা গোয়েন্দা নজরদারিতে আছেন এবং তাদের টার্গেট করে ধরা হবে—এ রকম প্রচার পুলিশ ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। এ ধরনের আলাপ হলে আপনি ধরে নিতে পারেন যে তাদের সে রকম কিছুই হয়নি।’ তিনি বলেন, লোক দেখানো হয়তো সাড়ে চার হাজার চাঁদাবাজের মধ্যে সাড়ে চার ডজন বা সাড়ে চার হালি তারা ধরতে পারবে।

আবার তারা বের হয়ে আসবে। এই রাজনীতিবিদ বলেন, যারা জেলে কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের দেখেছেন, তারা জানেন যে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের নেটওয়ার্ক এরকম একটা শক্তি অবস্থায় আছে যে চাঁদাবাজরা কলকাতাতে থাকুক, সন্ত্রাসীরা দুবাইতে থাকুক, কিংবা জেলখানাতে থাকুক—ডাজ নাট ম্যাটার। তাদের যদি সিস্টেমটা চালু থাকে তাহলে তারা যেকোনো জায়গায় বসে এই চাঁদাবাজি করতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা দেখেছি একজন ডাকার শফিক, টোকাই সাগর, একজন মুরগি মিলন, একজন কালা জাহাঙ্গীর—তারা দৃশ্যপটে না থেকেও সারা বাংলাদেশকে তছনছ করে ছেড়েছে।

একজন সুইডেন আসলাম, একজন সুব্রত বাইন দীর্ঘদিন পুলিশের হেফাজতে থেকেছে, দীর্ঘদিন কারাগারে থেকেছে, কিন্তু এটা কোনো মিন করেনি। সমাজের কোনো উন্নয়ন হয়নি। তারা তাদের কাজগুলো করেছে। তিনি আরো বলেন, ‘আবার ধরুন শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসান থেকে শুরু করে অন্য যাদের নাম শুনতে পেরেছি, আমরা এদের কখনো ব্যাংককে দেখেছি, কখনো দুবাইতে। কিন্তু বাংলাদেশে তাদের সিন্ডিকেশনটা বন্ধ হয়নি।

সেই অর্থে এখন এই নতুন সরকারের আমলে অতীতের চাঁদাবাজির যে সিন্ডিকেট ছিল, তার সবগুলো এখনো আছে।’ এই সাবেক সংসদ সদস্য বলেন, ‘চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের সঙ্গে আশির দশক, নব্বইয়ের দশকের রাজনীতিবিদদের আসলে সম্পর্ক ছিল না। কিন্তু ২০০১ থেকে এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডনদের একটা পলিটিক্যাল কানেক্টিভিটি চলে আসে। রাজনীতিবিদরা একে অপরদের বিরুদ্ধে এই সিন্ডিকেটকে ব্যবহার করতে শুরু করে। ফলে আমরা কখনো কখনো সেভেন স্টার গ্যাং, কখনো আমরা ফাইভ স্টার গ্যাংদের দেখেছি। এখন সেই গ্যাংগুলো সক্রিয় আছে। তাদের অনেকগুলো আস্তানা ঢাকা শহরে রয়েছে। কখনো তারা টঙ্গী, কখনো উত্তরা, কখনো মোহাম্মদপুর, কখনো সায়েদাবাদ, কখনো গুলশানের বিভিন্ন এলাকাকে কেন্দ্র করে তাদের সাম্রাজ্যের হেডকোয়ার্টার স্থাপন করে বসে।’

তিনি বলেন, ‘এই চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট ইউনূস জামানাতে যখন নতুন করে হাত বদল হলো, আওয়ামী লীগের হাত থেকে নতুন হাতে আসল, তখন সেখানে অনেকেই জড়িয়ে গেল। সেখানে আওয়ামী লীগ যারা ছিল, তাদের দ্বিতীয়-তৃতীয় সারির লোকজন ছিল, তার সঙ্গে সঙ্গে আবার নতুন রাজনীতির সঙ্গে নতুন মাস্তান বিদেশ থেকে চলে এলো, জেল থেকে বের হয়ে এলো, ফলে এটা চাঁদাবাজের এটা স্বর্গরাজ্য পরিণত হয়ে গেল এবং সেটি বর্তমান জামানাতে এসে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।’

এ বিভাগের আরো সংবাদ

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালু করা হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগে তেল বিক্রিতে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরলেও কমেনি সাধারণ চালকদের ভোগান্তি। বরং দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে তেলের জন্য। জেলা প্রশাসনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো প্রকার জ্বালানি তেল বিক্রি করা হচ্ছে না। নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নে রোববার (৫ এপ্রিল) জেলার কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রি শুরু হয়।তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্ড থাকা সত্ত্বেও তেল পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকরা। অনেকেই ভোর ৪টা থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। নির্ধারিত সময় সকাল ৯টার পরিবর্তে কোথাও কোথাও ১০টার পর তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। এছাড়া, প্রথম দিনে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক স্টেশনে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় বাইক চালকরা জানান, ‘ভোরে এসে লাইনে দাঁড়িয়েও সকাল ১১টা পর্যন্ত তেল পাই না। কখন তেল পাবো তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে আমাদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’ এদিকে, ফুয়েল কার্ড ছাড়া অনেকেই তেল নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। এতে একদিকে তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের মতো বিশৃঙ্খলা আর নেই। নিয়ম মেনে তেল বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। রুপালী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মো. আব্দুল হক বলেন, “আগে তেল দিতে গিয়ে অনেক বিশৃঙ্খলা হতো। এখন কার্ড থাকার কারণে সবকিছু নিয়ন্ত্রণে এসেছে।” অন্যদিকে, ফিলিং স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা মো. মুক্তারুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কোনোভাবেই ফুয়েল কার্ড ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল দেওয়া হচ্ছে না। তবে চালকদের দাবি, শুধুমাত্র নিয়ম করলেই হবে না—সময়মতো তেল সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে প্রশাসনকে।

© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com