1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৫ আগস্টের মধ্যে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর না খুললে জনগণই সেটা খুলে দেবে: নাহিদ ইসলাম ‘নাগরিক সমস্যার সমাধানে শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করবেন না’: জামায়াতে আমির যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও হরমুজে শুল্কারোপ করতে যাচ্ছে ইরান-ওমান মাছের ঘের থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার অভিযোগ পরিবারের খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের প্রতিনিধি দল মাথা ঝুঁকিয়ে সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানের কোচ ইরানে বিপ্লবী গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করে হত্যা বকেয়াসহ জুলাই থেকে নিয়মিত বেতন পাবেন মাদ্রাসা শিক্ষকরা: শিক্ষামন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারসহ সব দুর্নীতি তদন্ত করা উচিত: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘শিবির কি শেখ মুজিবের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?’

থানায় গিয়ে নারী এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবক আটক!

Desk report
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার শেরপুর থানায় ডিউটি অফিসার হিসেবে কর্তব্যরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে নূর মোহাম্মদ মামুন নামের এক যুবককে দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
‎অভিযোগের তীর থাকা ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম রোখসানা খাতুন। তিনি গত ১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে শেরপুর থানায় যোগদান করেন।

‎ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ মামুনের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত প্রয়োজনে তিনি সকালে থানায় যান এবং ডিউটিরত সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) রোখসানা খাতুনকে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করে কথা বলতে চান। এতে এসআই রোকসানা অসন্তোষ প্রকাশ করে তাকে গালাগালি করে, একপর্যায়ে কোনো লিখিত অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই তাকে আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পরিবারের লোকজন গেলে একটি মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

‎ঘটনার প্রেক্ষাপটে অনুসন্ধানে জানা যায়, এসআই রোখসানা খাতুন যোগদানের পর থেকেই থানায় সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের সঙ্গে তার আচরণ নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ রয়েছে। ভুক্তভোগী হিসেবে পরিচয় দেওয়া রেজাউল করিম, আলী হাসান ও নাইম ইসলাম অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে থানায় গেলে তারা তার অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হন এবং ধমক দিয়ে গালাগালি করে থানা থেকে বের করে দেওয়া হয়।

‎অন্যদিকে ইমরান হোসেন নামের একজন জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীনের কাছে মৌখিক অভিযোগ করেছিলেন।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানায় কর্মরত একাধিক পুলিশ সদস্য বলেন, এসআই রোখসানা খাতুনের আচরণ ও মেজাজজনিত কারণে সহকর্মীদের মধ্যেও এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করে। তার ডিউটির সময় কর্মপরিবেশ তুলনামূলক চাপপূর্ণ থাকে বলেও তারা উল্লেখ করেন।

‎এ বিষয়ে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস.এম. মঈনুদ্দীন বলেন, “এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও কিছু মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।”

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই রোখসানা খাতুনের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার মুঠোফোনে কল দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে স্থানীয়দের মতে, জনবান্ধব পুলিশিংয়ের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এ ধরনের আচরণ প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে এবং বাহিনীর ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com