1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পিরোজপুর-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে এমপি মাসুদ সাঈদীর ঈদ শুভেচ্ছা রানীশংকৈলে লটকনের বাম্পার ফলন: বাণিজ্যিক চাষে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চান স্থানীয়রা মোরেলগঞ্জে দক্ষতা উন্নয়ন ও অনলাইন কর্মসংস্থানে সুনাম কুড়াচ্ছে “Our Online World” জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যুবদের সম্পৃক্ত করতে শ্যামনগরে চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা শিবচরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে তৎপর পুলিশ কয়রায় সৌদির রাজকীয় উপহার: ৬৪ এতিমখানায় পৌঁছালো বাদশাহর পাঠানো খেজুর ধামইরহাটে ৩ হাজারের অধিক মানুষের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ মণিরামপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের শিশুসহ নিহত ৩ ওজন ও পরিমান কম থাকায় মোংলায় বিস্কট কারখানা ও ঘোষ ডেয়ারি মালিককে জরিমানা

নবীগঞ্জে দুই পক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে নিহত ২

মোঃ সিজিল মিয়া চৌধুরী
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষে রক্তাক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (৭ জুলাই) বিকেলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আনমনু, পূর্ব তিমিরপুর, পশ্চিম তিমিরপুর ও চরগাঁও গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ জড়িত হয়ে ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ২ জন নিহত এবং দেড়শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন—পূর্ব তিমিরপুর গ্রামের অ্যাম্বুলেন্স চালক ফারুক মিয়া এবং আনমনু গ্রামের রিমন মিয়া (২৫)। রিমন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংঘর্ষের সময় নবীগঞ্জ শহরের গাজীরটেক, মৎস্যজীবী পাড়া, চরগাঁও ও পশ্চিম বাজার এলাকায় ব্যাপক ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। বাজারে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। অন্তত ৫০টি দোকান ও একাধিক যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়। অনেক দোকানে লুটপাট চালানো হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, নবীগঞ্জের ইনাতগঞ্জ এলাকার আশাহিদ আলী আশার সঙ্গে তিমিরপুরের খসরু মিয়া তালুকদারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। উভয় পক্ষ আগে থেকেই উত্তেজনায় ছিল এবং সোমবার বিকেলে ঘোষিত সভার পর সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমীন ১৪৪ ধারা জারি করেন। কিন্তু তা উপেক্ষা করে সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে। সন্ধ্যা ৬টার দিকে সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। নবীগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. কামরুজ্জামান জানান, “পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তবে এলাকা থমথমে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহলে রয়েছে। ইউএনও রুহুল আমীন বলেন, “১৪৪ ধারা জারি করা হলেও দুই হাজারের বেশি মানুষ উত্তেজিত অবস্থায় ছিল। সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি বলে জানা গেছে, তবে প্রশাসন বলছে তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com