1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পিরোজপুর-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণকে এমপি মাসুদ সাঈদীর ঈদ শুভেচ্ছা রানীশংকৈলে লটকনের বাম্পার ফলন: বাণিজ্যিক চাষে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা চান স্থানীয়রা মোরেলগঞ্জে দক্ষতা উন্নয়ন ও অনলাইন কর্মসংস্থানে সুনাম কুড়াচ্ছে “Our Online World” জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যুবদের সম্পৃক্ত করতে শ্যামনগরে চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ও কর্মশালা শিবচরে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার, পরিচয় শনাক্তে তৎপর পুলিশ কয়রায় সৌদির রাজকীয় উপহার: ৬৪ এতিমখানায় পৌঁছালো বাদশাহর পাঠানো খেজুর ধামইরহাটে ৩ হাজারের অধিক মানুষের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ মণিরামপুরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের শিশুসহ নিহত ৩ ওজন ও পরিমান কম থাকায় মোংলায় বিস্কট কারখানা ও ঘোষ ডেয়ারি মালিককে জরিমানা

নিখোঁজের পর নদীতে মিলল নারীর লাশ, শরীরে দেখা গেছে একাধিক আঘাতের চিহৃ

আবদুল্লাহ আল মামুন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৩ জুলাই, ২০২৫
  • ২৩৮ বার পড়া হয়েছে
‎চুয়াডাঙ্গা শহরতলী দৌলদিয়াড়ে মাথাভাঙ্গা নদী থেকে মেমজান বেগম (৪০) মধ্যবয়সী এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
‎শনিবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়রা মেমজানকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। এ সময় মেমজানের মাথা, মুখমণ্ডল সহ শরীরের বিভিন্নস্থানে একাধিক আঘাতের চিহৃ দেখতে পাওয়া যায়।
‎মেমজান বেগন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের দৌলতদিয়াড় গ্রামের চুনুরিপাড়ার আব্দুস সামাদের স্ত্রী।
‎চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদুর রহমান দৈনিক দেশ বুলেটিনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
‎মেমজান বেগমের আত্মীয় এবং উদ্ধারকারি লিপি খাতুন দৈনিক দেশ বুলেটিনকে বলেন, মেমজানে শাশুড়ি দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ হয়ে বিছানাগত। তিনি প্রতিদিনের মত শনিবার সন্ধার পর শাশুড়ির মল-মুত্র বাড়ির সামনেই মাথাভাঙ্গা নদীতে ফেলতে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তিনি আর ফেরেননি। পরে অনেক খোজাখুজির পর সন্দেহ হলে একপর্যায়ে মাথাভাঙ্গা নদীতে খোজা শুরু হয়। এরপরই নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে এলাকাবাসী।
‎শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের বিষয়ে জানতে চাইলে লিপি খাতুন বলেন, মেমজান বেগম দীর্ঘদিন যাবত মৃগী (খিচুনি) রোগে ভুলছিলেন। আমাদের ধারণা নদীতে যাওয়ার পরই খিচুনি শুরু হলে ব্যালেন্স হারিয়ে পানিতে পড়ে যায়। এতে শরীরে আঘাতপ্রাপ্ত হতে পারেন। এছাড়া মরদেহ উদ্ধারের সময়ও সবার হাত থেকে ফসকে পড়ে গিয়েছিল। এতে মাথায় জখম হয়। তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
‎এ বিষয়ে জানতে মেমজান বেগমের স্বামী বা পরিবারের অন্য স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
‎চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তারেক জুনায়েত দৈনিক দেশ বুলেটিনকে বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা মেমজান বেগমকে মৃত অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে এসেছিলেন। তার মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্নস্থানে জখমের চিহৃ পাওয়া গেছে। পরিবারের দাবি, তিনি মৃগী রোগী ছিলেন। আর এই রোগীরা অনেক সময় আক্রান্ত হলে পড়ে যান এবং মৃত্যুও হতে পারে তাদের।
‎তিনি আরও বলেন, যেহেতু শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে তাই বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।
‎চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) খালেদূর রহমান দৈনিক দেশ বুলেটিনকে বলেন, শুনেছি মাথাভাঙ্গা নদীর পানিতে ডুবে তিনি মারা গেছে। মৃগী রোগী ছিলেন তিনি। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আঘাতের কারণে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হয়েছে। আগামীকাল (আজ) ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com