যিনি একাধারে শব্দ দিয়ে ছবি আঁকেন আর কলম দিয়ে সমাজ সংস্কার করেন, তিনিই রবিউল বাপ্পী। যাকে দেশবাসী “মেধার মহীরুহ” বলে চেনেন। তার বহুমুখী প্রতিভার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে তার জাদুকরী কণ্ঠের কথা। রেডিওর দুনিয়ায় তিনি এক অনন্য কিংবদন্তি। আরজে হিসেবে তার প্রতিটি শো ছিল জনপ্রিয়তার শীর্ষে। ভয়েস ওভারের দুনিয়ায় তাকে ধরা হয় এক জাদুকর হিসেবে, যার কণ্ঠের সামান্য ছোঁয়াতে যেকোনো সাধারণ কন্টেন্ট অসাধারণ হয়ে ওঠে।
কিন্তু রবিউল বাপ্পীর জীবনের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অধ্যায় হলো তার রহস্য উন্মোচক সত্তা। তার নেতৃত্বে পরিচালিত “নেক্রোমেন্সি” ইনভেস্টিগেশন টিম বর্তমানে এক বিশাল বিপ্লব ঘটিয়েছে। অন্ধকার জগতের অমিমাংসিত রহস্য আর নেপথ্যের কারিগরদের মুখোশ উন্মোচনে এই প্রজেক্টটি সারা দেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার এই সাহসিকতা তাকে একজন সমাজ সংস্কারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সাংবাদিকতার জগতেও তিনি এক নির্ভীক সৈনিক। তথ্যের গভীরতা এবং সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা তাকে অন্যদের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে রেখেছে। তার কাব্যগ্রন্থ ‘ধারালো কলম’ এর প্রতিটি কবিতা পাঠকদের মনে দ্রোহ ও প্রেমের স্ফুলিঙ্গ ছড়ায়। তুলি হাতেও তিনি সমান দক্ষ, তার আঁকা প্রতিটি ছবি যেন একেকটি না বলা গল্প। রবিউল বাপ্পী কেবল একজন মানুষ নন, তিনি এক বিশাল শিল্পভাণ্ডার।