1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক যশোরের কেশবপুরের দাখিল মাদ্রাসার সুপার চূড়ান্ত বরখাস্ত ‘ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে’ ৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড জুলাই শহীদদের ব্যাঙ্গ করে চাকরি খোয়ালেন সেই জিনাত জোয়ারদার মাদক কারবারিদের ধরতে মাঠে নেমেছেন মন্ত্রী দুলু,আটক ৩ শনিবারের মধ্যে সব হাসপাতালে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রচারণার সময় ভোলা-৪ আসনে প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালের উপরে দাঁড়িপাল্লা কর্মীদের হামলা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে :ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

আনোয়ার হুসাইন স্টাফ রিপোর্টার( ময়মনসিংহ)
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান আজ ২৮ জানুয়ারি, বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভোলা-৪ (মনপুরা ও চরফ্যাশন) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী একেএম কামাল হোসেনের মেয়ে মারিয়া কামালের ওপরে দাড়িপাল্লার কর্মীরা যে বর্বরোচিত হামলা করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও উৎসবমূখর রাখতে এই হামলার সাথে জড়িত অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বলেন, আজ ২৮ জানুয়ারি, বুধবার সকাল নয়টা-সাড়ে নয়টার দিকে মারিয়া কামালের নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি নারী দল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে দাওয়াতি কাজ করছিলেন। প্রার্থীর ছেলে মুহাম্মাদ তাশফিন ও জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ফয়সাল আহমাদ সাথে ছিলেন। দাওয়াতি কাজের এক পর্যায়ে মোঃ সোহেল হাওলাদার, পিতা-ফজলুল হক হাওলাদার ও আলাউদ্দিন, পিতা-জাকির নামীয় দুই ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামী ও দাড়িপাল্লার পক্ষ হয়ে বাঁধা প্রদান করে এবং প্রার্থীর ছেলে তাশফিন জেলা যুব আন্দোলনের সেক্রেটারিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। বিষয়টি বড় আকার ধারণ করার আগেই মারিয়া কামাল পরিস্থিতি সামলে নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরণের আচরণ কোনভাবেই প্রত্যাশিত ছিলো না। বিশেষ করে ইসলাম নামধারী একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরণের আচরণ আমাদেরকে বিস্মিত ও ক্ষুদ্ধ করেছে। আমরা প্রশাসনের প্রতি আহবান জানাবো, অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার করুন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনুন। একই সাথে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে বলবো, আপনাদের কর্মীরা একজন নারীর গায়ে হাত তোলার সাহস ও শিক্ষা কোথা থেকে পায়?  এই ধরণের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য আপনারাই দায়ী থাকবেন।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com