ফরিদপুরের ভাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাস ও তরমুজবোঝাই পিকআপের মুখোমুখি সং/ঘ/র্ষে ২ জন নি*হত এবং অন্তত ৩৫ জন যাত্রী আ-*হত হয়েছেন। দুর্ঘ/ট/নায় মৃ-তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আজ সোমবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী ইউনিয়নের ভাঙ্গা–টেকেরহাট মহাসড়কের বাবনা তলা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর থেকে মাদারীপুরগামী শাহ ফরিদ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো ব–১১–০১২২) বাবনা তলা ব্রিজের দক্ষিণ পাশে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা তরমুজবোঝাই একটি নাম্বারবিহীন পিকআপের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাসটি সড়কের পূর্বপাশের ঢালে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসের অন্তত ২০–২৫ জন যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনায় পিকআপে থাকা তরমুজের মালিক জাহাঙ্গীর মোল্লা (৩৭) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তিনি ভাঙ্গা উপজেলার কৈডুবি সদরদী এলাকার মৃত সেকেন মোল্লার ছেলে। পিকআপের চালক আরিফ (৪০) গুরুতর আহত হয়েছেন।এছাড়া ঢাকায় নেওয়ার পথে নেশারউদ্দিন শেখের পুত্র আলমগীর শেখ (৪০) মারা যান।
আহতদের মধ্যে সাগর (১৯), ফজলুল হক (৬০), আশরাফ মোল্লা (৫৫), লোকমান (৫০), বিলকিস (৪০), মীর ফারুক (৫৫), মেহেদী হাসান (২৮), সাদিয়া (২১), বিশ্বনাথ (৫৫), রূপালী (৪৫), গোলাম মোস্তফা (৫৫), মনিরুজ্জামান (৪০) ও লাভলুসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার এসআই মো. মামুন হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স ও রেকারসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। পরে পিকআপটি উদ্ধার করে হাইওয়ে থানায় নেওয়া হয় এবং নিহ*তের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বর্তমানে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।