পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া দাখিল
মাদ্রাসায় ২টি পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় রুবেল মিয়া নামে একজন সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে নিয়োগে অনিয়মের বিষয়টি অস্বীকার করেছে মাদ্রাসার সুপার।
অভিযোগে জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার বড়মাছুয়া দাখিল মাদ্রাসায় কম্পিউটার অপারেটর ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নিয়োগ পরীক্ষা যথাযথ নিয়ম মেনে নেওয়া হয়নি—এমন অভিযোগ করেছেন নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া রুবেল মিয়া।
তার দাবি, নিয়োগ পরীক্ষায় তাৎক্ষণিকভাবে হাতে লিখে প্রশ্ন তৈরি করে তা থেকে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষার সময় প্রার্থীদের সহযোগিতা করা হয়েছে, যা অনেকেই সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঈদের ছুটির মধ্যে গোপনে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়, ফলে অনেক প্রার্থী ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বিষয়টি জানতে পারেননি। এছাড়া ভাইভা পরীক্ষায় সকলকে একই নম্বর দেওয়া হয়েছে এবং প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। লিখিত অভিযোগে মাদ্রাসার সুপার, কয়েকজন শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তারা গোপনে পছন্দের প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়েছেন। এমনকি কমিটির অনেক সদস্যও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে দাবি করা হয়েছে।
নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে মাদ্রাসার সুপার আব্দুল হাই জানান, নিয়োগে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। বোর্ড থেকে আগেই এ বিষয়ে সতর্ক করার কারণে আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে আইন অনুযায়ী নিয়োগের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি। এখানে সংশ্লিষ্ট অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। যে অভিযোগ করেছেন তিনিও পরীক্ষা দিয়েছিলেন।