1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক যশোরের কেশবপুরের দাখিল মাদ্রাসার সুপার চূড়ান্ত বরখাস্ত ‘ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে’ ৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড জুলাই শহীদদের ব্যাঙ্গ করে চাকরি খোয়ালেন সেই জিনাত জোয়ারদার

যশোরে মালিকের বিশ্বাস পুঁজি করে কারখানা লুট ও প্রতারণা/কাঠগড়ায় আহমেদুর রহমান প্রিন্স

যশোর জেলা প্রতিনিধি, মোঃ জুম্মান হোসেনঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে
যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় আহমেদুর রহমান প্রিন্স নামে এক প্লাস্টিক কারখানার ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ব্যাংক প্রতারণার ফাঁদে সর্বস্বান্ত কারখানা মালিক। তিনি যশোর শহরের শংকরপুর রেলস্টেশন বস্তি এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত মুজিবর রহমানের ছেলে।
এ ঘটনায় শংকরপুর টার্মিনাল এলাকায় অবস্থিত একটি প্লাস্টিক কারখানার মালিক আব্দুল গণি প্রিন্সের বিরুদ্ধে প্রথমে থানায় এবং পরে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। মামলাটি আদালতে সিআর-৪৩৮৮/২৪ নম্বরে নথিভুক্ত রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, কারখানা মালিক আব্দুল গণি বর্তমানে ঢাকার মিরপুর এলাকায় বসবাস করলেও তার স্থায়ী ঠিকানা যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায়। পূর্ব পরিচয়ের সূত্রে তিনি আহমেদুর রহমান প্রিন্সকে শংকরপুরে অবস্থিত ওই প্লাস্টিক কারখানার ম্যানেজারের দায়িত্ব দেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রিন্স নিজেকে কারখানার মালিক পরিচয় দিয়ে জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে মোটা অংকের ঋণ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি জানতে পেরে আব্দুল গণি প্রথমে যশোর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে আদালতে প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, একপর্যায়ে ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেওয়া হলে আহমেদুর রহমান প্রিন্স কারখানার মূল্যবান যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র বিক্রি করে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে আদালতে অপরাধ প্রমাণিত হলে আদালত তাকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। তবে এখনো ওই টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে বাদীপক্ষ দাবি করেছে।
কারখানা মালিক আব্দুল গণি অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে উল্টো তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও দাবি করেন, প্রিন্স নিজেকে কারখানার মালিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। বর্তমানে সেই ভুক্তভোগীরা টাকার জন্য তাকেই চাপ দিচ্ছেন। বিভিন্ন স্থানে দেনার কথা বলে প্রিন্স তার শ্বশুরের কাছ থেকে প্রায় ১২ শতক জমি লিখে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছেন। তবে সেই অর্থ দিয়েও পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ করেনি।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com