1. admin@desh-bulletin.com : নিজস্ব প্রতিবেদক : দৈনিক প্রতিদিনের অপরাধ
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়ীতে থাউজেন্ড হসপিটাল এর ৩ য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের গ্লোবাল গেটওয়ে ফোরামে প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ শ্রীপুরেে পল্লী উন্নয়ণ দিবসে আলোচনা সভা ও র‍্যালী অনুষ্ঠিত অবাধ ও গ্রহণযোগ্য সিবিএ নির্বাচনই আমাদের লক্ষ্য—শেখ মাহমুদ পারভেজ সালমান শাহর দেহাবশেষ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ইসরাইলে গৃহযুদ্ধের ‘বাস্তব’ আশঙ্কা দেখছেন ৬০ শতাংশ নাগরিক যশোরের কেশবপুরের দাখিল মাদ্রাসার সুপার চূড়ান্ত বরখাস্ত ‘ফ্যামিলি-কৃষক কার্ডধারীদের নিয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা হবে’ ৫ বছরের শিশু আসমা ধর্ষণ-হত্যায় চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড জুলাই শহীদদের ব্যাঙ্গ করে চাকরি খোয়ালেন সেই জিনাত জোয়ারদার

যশোর-৩ আসনে বিএনপি এগিয়ে, অমিতকে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা

যশোর জেলা প্রতিনিধি, মোঃ জুম্মান হোসেনঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২০৭ বার পড়া হয়েছে
দুই যুগ পর যশোর-৩ আসনে বিএনপির প্রত্যাবর্তনের জোর আলোচনা
অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা, ভোটের মাঠে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর-৩ (সদর) আসনটি এবার বিএনপির দখলে যেতে পারে এমন আলোচনা এখন সর্বত্র। বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের ধারাবাহিক সাংগঠনিক তৎপরতা, জনসম্পৃক্ততা এবং মাঠপর্যায়ের শক্ত অবস্থানের কারণে ভোটারদের বড় একটি অংশ মনে করছেন, এবার এই আসনে বিএনপিকে পরাজিত করা কঠিন হবে।
স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকলেও বিএনপি এই আসনে সাংগঠনিকভাবে পুনরায় শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আব্দুল কাদেরকে অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্বাধীনতার পর যশোর-৩ আসনে আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ সাতবার জয়লাভ করেছে—১৯৭৩, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে। তবে এসব নির্বাচনের কয়েকটি নিয়ে জনমনে বিতর্ক রয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি এই আসনে জয় পায় ১৯৭৯, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। এছাড়া ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টি এবং ১৯৮৮ সালে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল আসনটি দখল করে।
১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম সুষ্ঠু নির্বাচন হিসেবে বিবেচিত। সে নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী তরিকুল ইসলাম মাত্র ২৯৭ ভোটের ব্যবধানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী রওশন আলীর কাছে পরাজিত হন। ওই ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, তখন যশোর সদরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থন ছিল প্রায় সমান।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ভাটা পড়েছে। বিপরীতে বিএনপির ধারাবাহিক আন্দোলন, সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং নেতৃত্বে নতুনত্ব দলটির প্রতি জনগণের আগ্রহ বাড়িয়েছে। তবে জামায়াতে ইসলামী এই আসনে কতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারবে—তা নিয়ে এখনো নানা হিসাব-নিকাশ চলছে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে যশোর-৩ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রয়াত তরিকুল ইসলাম। প্রায় দুই যুগ পর এবার একই আসনে তার ছোট ছেলে, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রার্থী হয়েছেন। এর আগেও তিনি ২০১৮ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে সে সময় প্রশাসনের মদদে হামলা ও সহিংসতার মাধ্যমে তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার অভিযোগ ওঠে।
বর্তমানে যশোর সদরের বিভিন্ন এলাকায় অমিতের গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা ও সাংগঠনিক তৎপরতা ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় ভোটারদের অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘ সময় পর এই আসনে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
এ বিভাগের আরো সংবাদ
© দেশ বুলেটিন 2023 All rights reserved
Theme Customized BY ITPolly.Com